খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ | ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

খালেদাকে মুক্ত করতে আন্দোলন  ছাড়া অন্য চিন্তা নেই : ফখরুল

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ০১ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০৯:০০

দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে থাকা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আন্দোলন ছাড়া এখন অন্য কিছু চিন্তা করছে না বিএনপি। গতকাল শনিবার বিকেলে এক আলোচনা সভায় দলের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, “এই দেশে গণতন্ত্রের যতটুকু অর্জন হয়েছিল, যিনি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করেছিলেন, তাদের বিদায় করেছিলেন, যে গৃহবধূ থেকে দেশের পথে-প্রান্তরে গণতন্ত্রের গান গেয়ে বেড়িয়েছেন, আজকে সেই গণতন্ত্রের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার অন্যায়ভাবে বন্দি করে রেখেছে।
“আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, কোনো বিকল্প নেই, কোনো বিকল্প নেই আন্দোলন, আন্দোলন, আন্দোলন। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশনেত্রীকে কারামুক্ত করব। তার আগে অন্য কোনো কিছু আমরা চিন্তা করছি না, করব না।”
সরকার হটাতে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির জন্য সব গণতান্ত্রিক দল ও সংগঠনকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রতিটি জায়গায়, প্রতিটি মানুষ এখন শুধু অপেক্ষা করে আছে কখন একটা সুযোগ পাবে, সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে এই সরকারকে একেবারে চিরতরে উৎখাত করে দেবে। “আমরা এখন একেবারেই শান্তিপূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করছি। এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আমরা সরকারের পতন ঘটাব। বাধ্য করব দেশনেত্রীসহ আমাদের সকল রাজবন্দীদের মুক্ত করবার জন্য।”
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি’র উদ্যোগে এই আলোচনা সভা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “একাদশ নির্বাচন নিয়ে সরকার ষড়যন্ত্র করছে। দেশনেত্রীকে নির্বাচন থেকে বাইরে রেখে, বিএনপিকে নির্বাচন থেকে বাইরে রেখে আবার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো প্রহসনের ভোট ছাড়া নির্বাচন করতে চায়। আমরা বলতে চাই, ২০১৪ সালের মতো নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি দেশে হবে না, হতে দেওয়া হবে না। দেশনেত্রীকে ছাড়া এদেশে নির্বাচন হতে দেবে না জনগণ।”
স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, “দেশনেত্রীকে মুক্তি করতে আইনি লড়াই যথেষ্ট নয়। জনমত সৃষ্টি করতে হবে, বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলন করতে হবে।”
নির্বাচনের প্রস্তুতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমরা একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। বিএনপি গণতান্ত্রিক দল, গণতান্ত্রিক পন্থায় আমরা দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। সেটা করতে গেলে আমাদেরকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে এবং প্রত্যেকটি জায়গায় আপনাদেরকে নিয়োজিত করতে হবে। “আওয়ামী লীগ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। বসে থাকলে চলবে না। এদিকে আমাদের পিছিয়ে থাকলে চলবে না। আমাদেরকে সব সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। রাজনীতির ব্যাপার.. যেকোনো সময় নির্বাচন হতে পারে।”
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, “দেশে একদলীয় বাকশালের শাসন চলছে, কোনো স্বাধীনতা নাই, কথা বলতে পারবেন না, মুখও খুলতে পারবেন না।  বেশি কথা বলবেন সব জেলে ঢুকাইয়া দিব, আপনাদের নেত্রীকে জেলে ঢুকাইয়া দিছে। এই অবস্থা চলতে দেওয়া যাবে না।”
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ







নির্বাচনী ট্রেনে আওয়ামী লীগ

নির্বাচনী ট্রেনে আওয়ামী লীগ

০৭ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:৩০







ব্রেকিং নিউজ