খুলনা | শুক্রবার | ২৭ এপ্রিল ২০১৮ | ১৪ বৈশাখ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

খালিশপুরে শিশুকন্যাকে হত্যায় মা শারমিনকে যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ২৩ মার্চ, ২০১৮ ০২:৩৫:০০

নগরীর খালিশপুর পিপলস্ কলোনীতে ১১ মাসের শিশু কন্যা সুমাইয়াকে হত্যার অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মা মোসাঃ শারমিন (২০) কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাস সশ্রম কারাণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোসাম্মাৎ দিলরুবা সুলতানা এ রায় ঘোষণা করেছেন। রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শারমিন আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। সে খালিশপুর পিপলস্ ৫ম তলা কলোনীর ৩নং বিল্ডিংয়ের নিচতলার ভাড়াটিয়া মোঃ সুমনের স্ত্রী। 
বেঞ্চ সহকারী সুভেন্দ্র রায় চৌধুরী নথীর বরাত দিয়ে জানান, ২০১৫ সালের ২৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে খালিশপুর পিপলস্ ৫ম তলা কলোনীর ৩নং বিল্ডিংয়ের নিচতলার ভাড়া বাসায় ১১ মাসের নিজ শিশু কন্যা সুমাইয়াকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মা শারমিন। গ্রেফতারের পর শারমিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে জানায়, আগের দিন শাশুড়ী জরিনা খাতুনের সঙ্গে সংসারের অভাব-অনাটন নিয়ে ঝগড়া হয়। তার স্বামী সুমন ইজিবাইক চালক। ঘটনার দিনে সকাল ৬টার দিকে তার শাশুড়ী জরিনা খাতুন ক্রিসেন্ট জুট মিলে শ্রমিকের কাজে যায়। সকাল ৮টার দিকে স্বামী সুমন ইজিবাইক চালাতে চলে যায়। এ সুযোগে স্বামীকে কষ্ট দিতে সে নিজ শিশু কন্যা সুমাইয়াকে গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। 
এ ঘটনায় তার স্বামী মোঃ সুমন বাদী হয়ে স্ত্রী মোসাঃ শারমিন ও তার সৎ পিতা দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি গ্রামের মোসলেম মোল্লার ছেলে মিজান (৪৫)’র বিরুদ্ধে খালিশপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন (নং-২০)। একই বছরের ৪ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ তৌহিদুর রহমান মিজানকে বাদ দিয়ে আদালতে মোসাঃ শারমিনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি বীরেন্দ্রনাথ সাহা ও এপিপি সাব্বির আহমেদ। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ