খুলনা | রবিবার | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

বাঘারপাড়ায় ফের ছাত্রলীগের দু’গ্র“পের সংঘর্ষ : পুলিশের লাঠিচার্জ, আটক ১

যশোর প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:৫১:০০

বাঘারপাড়ায় ফের ছাত্রলীগের দু’গ্র“পের সংঘর্ষ : পুলিশের লাঠিচার্জ, আটক ১

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত সোমবার যশোরের বাঘারপাড়া ছাত্রলীগের দুই গ্র“পের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এ সময় দুইপক্ষের নেতা-কর্মীরা লাঠি ও লোহার রড নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পৌর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে এসে লাঠিচার্জ করে উত্তেজিত নেতা-কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় শরিফ নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বাঘারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ের স্বর্ণপট্টি এলাকায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বায়েজিদ হোসেনের সমর্থক তামিম নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে মারপিট করে পৌর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক এনায়েত হোসেন লিটনের লোকজন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বায়েজিদের সমর্থকরা লাঠি-সোটা নিয়ে চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থান নেয়। এ সময় থানা পুলিশের এএসআই নিয়ামুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদেরকে নিবৃত্ত করেন ও লাঠি-সোটা কেড়ে নিয়ে যান। এর পাঁচ মিনিট পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লিটন গ্র“পের অর্ধ শতাধিক কর্মী লাঠি-সোটা নিয়ে হাসপাতাল গেট এলাকা থেকে চৌরাস্তা মোড়ে এসে প্রতিপক্ষকে ধাওয়া করে। এসময় উভয়পক্ষের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় আটক করা হয় লিটন গ্র“পের কর্মী শরিফকে। 
এ ব্যাপারে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বায়েজিদ হোসেন বলেন, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। ব্যক্তিগত কাজে যশোর শহরে অবস্থান করছিলাম। নেতা-কর্মীরা ফোন করে সব জানিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তামিম বাঘারপাড়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসতে চাওয়ায় তারা ওপর হামলা করা হয়েছে। দলের স্বার্থে উদ্ভুত পরিস্থিতি নিরসনে সমঝোতা বৈঠকে বসতে তারা প্রস্তুত আছেন বলেও জানান বায়েজিদ। 
অন্যদিকে এনায়েত হোসেন লিটন বলেন, আমি মারামারি-হানাহানিতে বিশ্বাসী নই। উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা তামিমকে লাঞ্ছিত করেছে। আমার লোকজনকে আমি নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি। উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে আজকের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করেন লিটন।
বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল আলম ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটকের কথা নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী যেই হোক, তার ক্ষমা নেই উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি উল্লিখিত দুই গ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। এ সময় বায়েজিদের ব্যক্তিগত অফিসে তালা লাগিয়ে দেয় লিটন গ্র“পের লোকজন। অফিসের কয়েকটি ছবি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার বদলা নিতে একইদিন বায়েজিদ গ্র“পের লোকজন তাদের প্রতিপক্ষ গ্র“পের আস্তানা হাসপাতাল গেটের রাসেল স্মৃতি সংসদে ভাংচুর চালায়। এ সময় সংগঠনটির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে হামলাকারীরা। এ ঘটনায় বায়েজিদ ও লিটনকে আটকও করেছিল পুলিশ।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ








খুলনায় বিসিবি’র চারদিনের ম্যাচ ড্র

খুলনায় বিসিবি’র চারদিনের ম্যাচ ড্র

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০১:২৩

আবারও ব্যার্থ আশরাফুল

আবারও ব্যার্থ আশরাফুল

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০১:২৩