খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৯ জুলাই ২০১৮ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

বেকুসর খালাস ১৬ জন

ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরাম হত্যা মামলায় ৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:২৯:০০

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আ’লীগের সভাপতি একরামুল হক হত্যা মামলার রায়ে ৩৯ জনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আলোচিত এই মামলার রায় গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আমিনুল হক। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আদেল। এই মামলার ১ নম্বর আসামি জেলা তাঁতী দলের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনার ও যুবলীগ নেতা জিয়াউল আলম মিস্টারসহ ১৬ জনকে বেকুসর খালাস দেওয়া হয়েছে।। জেলা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হাফেজ আহম্মেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 
রায় ঘোষণার আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ৩৬ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে নেওয়া হয়। এই মামলার চার্জশীটভুক্ত ৫৬ জনের মধ্যে ২০ আসামি পলাতক রয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন প্রথম থেকেই পলাতক। বাকি ৯ জন আদালত থেকে জামিন নেওয়ার পর পলাতক আছেন। এছাড়া র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে সোহেল ওরফে রুটি সোহেল। এদিকে সাড়ে তিন বছরে ৬৫ কার্য দিবসে মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়।
রায়ের অবর্জাবেশনে বিচারক বলেন, আসামিদের ভয়ে সাক্ষীরা আদালতে সঠিক ভাবে সাক্ষ্য দিতে পারেনি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হত্যাকান্ডের শিকার হন।
এ ঘটনায় একরামুল হকের ভাই রেজাউল হক জসিম বাদী হয়ে বিএনপি নেতা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ওরফে মিনারসহ অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে ফেনী সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট ৫৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। হত্যার প্রায় দুই বছর পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু করে আদালত।
গত ২৮ জানুয়ারি এই মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ৫৯ জন সাক্ষীর মধ্যে বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ এ পর্যন্ত ৫০ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
হত্যার ঘটনা : ২০১৪ সালে ২০ মে ফেনী শহরের একাডেমী সড়কের বিলাসী হলের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা অ’লীগ সভাপতি একরামুল হক একরামকে (৪৫)। হত্যার পর গাড়িতে আগুন দিয়ে তার মৃতদেহসহ পুড়িয়ে ফেলা হয়। হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘটনাস্থলে গাড়িতে ব্যারিকেড দিয়ে প্রথমে তাকে গুলি করে। পরে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপায়। মৃত্যু নিশ্চিত করার পরও তারা ক্ষান্ত হয়নি। একরামকে গাড়িতে রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গাড়ি থেকে একরামের পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়া দেহাবশেষ বের করে আনেন। ওই দিন দূরে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ এ ঘটনা দেখলেও প্রাণভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি। শুধু একরামই নন, তার গাড়িতে থাকা মহিবুল্লাহ ফরহাদ, ফুলগাজী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান একেএম মহিউদ্দিন (৬০), একরামের সমর্থক হোসেন (২৮) ও গাড়িচালক মামুনও (৩০) হামলার শিকার হন। তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


আইসিসির রুলিংচায় বাংলাদেশ

আইসিসির রুলিংচায় বাংলাদেশ

১৯ জুলাই, ২০১৮ ০০:১০








বামদের নতুন জোট

বামদের নতুন জোট

১৯ জুলাই, ২০১৮ ০০:১০




ব্রেকিং নিউজ