খুলনা | শুক্রবার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

খুলনার ভাষা আন্দোলনের দিনগুলি

এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু | প্রকাশিত ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০১:১৪:০০

ভাষা আন্দোলনে খুলনার ভূমিকা সম্পর্কে লিখতে যেয়ে শুরুতে এর একটি পটভূমি বলা প্রয়োজন। ভাষা আন্দোলনের লক্ষ্য নিছক ভাষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না; বাঙালির সাহিত্য, সংস্কৃতি, চাকুরি তথা অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, ভাষার ভিত্তিতে পাকিস্তানে বাঙালির মর্যাদা, বিশেষ একটি মানবগোষ্ঠী হিসেবে বাঙালিদের সমগ্র ভবিষ্যৎই রাষ্ট্র-ভাষা চিন্তার অন্তর্গত ছিল, এবং সক্রিয় ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সবই বিশেষ তাৎপর্য লাভ করেছিল। যাবতীয় তাৎপর্যসহ ভাষা আন্দোলনের লক্ষ্য, মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা ঘোষণার পর থেকে ক্রমে আলোচনা ও সক্রিয় আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ১৯৪৮ সালের মার্চের মধ্যেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত এবং পুস্তিকায় সংকলিত প্রবন্ধ মারফত যে-সব ধারণা প্রচার লাভ করেছিল। প্রথম সক্রিয় ভাষা আন্দোলনের ফলে দৃঢ়মূল হয়েছিল তা হচ্ছে ঃ ধর্মীয় সাহিত্য বা অন্যান্য কারণে উর্দু অধিকতর সম্মানীয় ভাষা এরূপ ধারণা অযৌক্তিক; বাংলাভাষা ও সাহিত্য অধিকতর উন্নত এবং বাংলাভাষা পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসাধারণের ভাষা, সে হিসেবে এই ভাষাই সাধারণ নিয়মে রাষ্ট্রভাষা হওয়া উচিত, তথাপি পাকিস্তান সরকার এই ভাষাকেই দূরে ঠেলে রাখছেন, তাঁরা উর্দু ভাষা এবং পশ্চিম-পাকিস্তানীদের প্রতি পক্ষপাত প্রদর্শন করেছেন, এ নীতি গণতন্ত্র-বিরোধী, এবং সাম্রাজ্যবাদী নীতির অনুরূপ। একমাত্র উর্দু রাষ্ট্রভাষা হবে এবং বাংলার দাবি বাতিল হবে বৃটিশ শাসনের অবসানে প্রকৃত স্বাধীনতা আসবে না, বাঙালিরা ইংরেজদের পরিবর্তে পশ্চিম পাকিস্তানীদের অধীনে গিয়ে পড়বে মাত্র। গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে বাংলা ও উর্দু এই উভয়ই রাষ্ট্রভাষা হওয়া উচিত। এই ভাবেই বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের দ্বিতীয় লক্ষ্য, মানসিকতা ও ভিত্তিমূল প্রস্তুত হয়েছিল আটচল্লিশের মার্চের মাধ্যেই।
১৯৪৮ ও ১৯৫২ সনের দুই পর্বেই খুলনায় রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে ছাত্র-ছাত্রী, যুবক ও আইনজীবীগণ অংশ নেন। খুলনায় ভাষা আন্দোলন প্রসঙ্গে স্মৃতিচারণ করতে যেয়ে এক সময় ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ আমার চাচা মরহুম এএফএম আব্দুল জলিল বলেছেন, “খুলনার দৌলতপুরে অবস্থিত বি.এল কলেজের ছাত্ররাই প্রথম রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সূচনা করেন ১৯৪৮ সনের ফেব্র“য়ারি মাসের শেষ দিকে। এ সময় কোন রাজনৈতিক দলই ভাষা আন্দোলনে অংশ নেয়নি। বি.এল কলেজের তৎকালীন সচেতেন ছাত্ররা নিজেস্ব উদ্যোগে অত্যন্ত সাহসের সাথে ভাষা আন্দোলনে সূচনা করেন। ১৯৪৮ থেকে এই সকল ছাত্ররা ১৯৫২ পর্যন্ত যে ভূমিকা পালন করেছেন তা ইতিহাসে উল্লেখের দাবি রাখে।”
ভাষা সৈনিক তাহমিদ উদ্দিন, শেখ হাসান উদ্দিন, এ কে চাঁন মিয়া, এম এ গফুর, কাজী মোঃ মাহবুবুর রহমান, আবু মোহাম্মদ ফেরদৌস, এ কে শামছুদ্দিন, (শুনু), মালিক আতাহার, তোফাজ্জেল হোসেন ও এন এস এ মোতালেব, এড. এ এইচ দেলদার আহম্মেদ, আনোয়ারা খাতুন, মাজেদা আলী প্রমুখের স্মৃতিচারণ হতে ভাষা আন্দোলনে খুলনার সার্বিক ইতিহাস এবং সৈনিকদের নামসমূহ জানা যায়। ১৯৪৮ এ যারা এই সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তাদেরও অনেকেই ৫২-তে অংশ নিয়েছেন।
১৯৪৮-এর ২৬ ফেব্র“য়ারি খুলনার দৌলতপুর বি.এল কলেজে মাতৃভাষা আন্দোলন শুরু হয়। ভাষা সৈনিক তাহমিদ উদ্দিনের লেখা হতে এ তথ্য জানা যায়। এ সময়কার পত্রিকা দৈনিক আজাদ হতে এই সংবাদ পাওয়া যায়।
দৈনিক আজাদ, ২৯ ফেব্র“য়ারি ১৯৪৮ এর খবর : ২৮ ফেব্র“য়ারি তারিখে খুলনা, দিনাজপুর, পাবনা, মুন্সীগঞ্জ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। খুলনায় দৌলতপুরে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় গৃহীত প্রস্তাবে বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানানো হয় এবং দেশব্যাপী দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
এই ঘটনার পর ডি. এম. ও এস. পি ছাত্রনেতাদের ডেকে নিয়ে সতর্ক করে দেয় ভাষা আন্দোলন হতে বিরত থাকার জন্য। ১২ মার্চ বিকেলে ছাত্রনেতাদের গ্রেফতার করে, ‘৪৮-এর প্রথম ভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক তাহমিদ উদ্দিন বলেন, আমরা ১৯৪৮ সালের ১২ মার্চ যারা গ্রেফতার হয়- (১) আমি তহমিদ উদ্দিন, (২) আনোয়ার হোসেন, (৩) শৈলেন ঘোষ, (৪) সন্তোষ দাসগুপ্ত, (৫) ধনঞ্জয় দাস এবং (৬) স্বদেশ বসু। এই আমাদের প্রথম গ্রেফতার হওয়া।’
দ্বিতীয়বার আমাদের সহপাঠি আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করে ১৯৪৯ সালের দিকে। তাকে রাজশাহী সেন্ট্রাল জেলে ২৪ এপ্রিল অন্যান্য রাজবন্দীর সাথে পুলিশ গুলী করে হত্যা করে। আনোয়ার অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। মাত্র ২০ বৎসর বয়সে ন্যায়ের সংগ্রাম ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদ হলো খুলনা দৌলতপুর বি.এল কলেজের ছাত্র আনোয়ার হোসেন।
১৯৪৮ এর ভাষা সৈনিক যারা : ভাষা আন্দোলনে খুলনায় ১৯৪৮ সালের ২৬ তারিখে প্রথম ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় বি.এল কলেজের তিনটি ছাত্র সংগঠনের নেতাদের নিয়ে। (১) মুসলিম ছাত্রলীগের নেতা তাহমিদ উদ্দিন হন আহবায়ক, (পরবর্তীকালে টেক্সটাইল কর্পোরেশনের কর্মকর্তা)। অন্যান্য সদস্যরা হলেন- (২) ছাত্র কংগ্রেসের নেতা ও তৎকালীন বি.এল কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি শৈলেন চন্দ্র ঘোষ, এ কে চাঁন মিয়া। ১৯৪৭ সালে বি.এল কলেজ সংসদের ভিপি ছিলেন। পরবর্তীকালে পুলিশ সুপার (অবঃ)। (৩) ছাত্র ফেডারেশন ঃ আনোয়ান হোসেন, ধনঞ্জয় দাস, সন্তোষ দাশগুপ্ত, স্বদেশ বোস। (আনোয়ার হোসেন শহিদ হন ২৪-৪-১৯৫০) (৪) মুসলিম ছাত্রলীগের আর যারা তারা হলেন- জিল্লুর রহমান, বর্তমান এ্যাডভোকেট, কুষ্টিয়া। নুরুল ইসলাম (বিএনপি’র নেতা), খন্দকার আঃ হাফিজ, পরবর্তীকালে এ্যাডভোকেট ও এমপি, এস এম জলিল, ক্রীড়া সম্পাদক, বি.এল কলেজ ছাত্র সংসদ (৪৭-৫০), পরবর্তীকালে বীমা ব্যবসায়ী ও বিখ্যাত ফুটবল খেলোয়াড়। কাজী মোঃ মাহবুবুর রহমান, পরবর্তীকালে ম্যাজিস্ট্রেট, সভাপতি, খুলনা সাহিত্য পরিষদ। শেখ হাসান উদ্দিন, ১৯৪৭ ও ৪৮ বি.এল কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস। এম মনসুর আলী, এ্যাডভোকেট ও প্রাক্তন মন্ত্রী। শেখ রাজ্জাক আলী, এ্যাডভোকেট, প্রাক্তন স্পীকার। মোমিন উদ্দিন আহমেদ এ্যাডভোকেট, প্রাক্তন মন্ত্রী। এস এম আমজাদ হোসেন, এ্যাডভোকেট ও প্রাক্তন মন্ত্রী। সভাপতি তমুদ্দুন মজলিশ, খুলনা শাখা, আফিল উদ্দিন, মতিউর রহমান (তৎকালীন স্কুল ছাত্র গ্রেফতার হন) ও আরো অনেক। যুব মুসলিম লীগ নেতা আবু মোহাম্মদ ফেরদৌসও ১৯৪৮ এর কর্মী ও নেতা।
উপরোক্ত নেতৃবৃন্দ অনেকেই ১৯৫২ সনেও ভাষা আন্দোলনে অংশ নেন।
ন্যাপ নেতা ও পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগের এম.পি ১৯৫২ এর ছাত্রনেতা মরহুম আব্দুল গফুর ছিল এ সময়ের ভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক। অন্যান্যরা হলেন এ কে শামছুদ্দিন শুনু (লেখক ও ন্যাপ নেতা), লু. র. জাহাঙ্গীর, ছাত্রনেতা (সম্পাদক, সাপ্তাহিক দেশের ডাক), কাজী নূরুল ইসলাম পরবর্তীকালে সচিব, মরহুম আব্দুল বারী এম.পি, শেখ তোফজ্জেল হোসেন, আলতাফ হোসেন (ন্যাপ নেতা), সরদার আব্দুস সাত্তার, খন্দকার এনামুল রহমান (শিক্ষক, মডেল স্কুল), জাহিদুল হক, অধ্যক্ষ, মালিক আতাহার, সমীর আহাম্মদ, নূরুল ইসলাম নান্নু (এ্যাডভোকেট), মোঃ সাইদুর রহমান সাইদ, এম এম এ মোত্তালিব, গোলাম ছরোয়ার, আইনুল হক, আছাদুল হক, আঃ করিম, আলী আশরাফ, মোশাররফ হোসেন, আলী রেজা, আবু হানিফ, জিল্লুর রহিম, মোঃ আঃ ওহাব, সৈয়দ কামাল বখত ও আরো অনেকে। 
মহিলা, ছাত্রী ও শিক্ষয়িত্রী যারা : আনোয়ারা খাতুন (অধ্যক্ষ), ফাতেমা খাতুন (সদস্য, নারী রক্ষা সমিতি, পরবর্তীতে বি,সি, আই,সি’র ড. এবং ফেরদৌস সাহেবের বোন), মাজেদা খাতুন (অধ্যক্ষা, মাজেদা আলী), রোকেয়া বেগম শিরিন (ড. মাহবুবের স্ত্রী), লুৎফুন নাহার বেগম, সাজেদা হোসেন, রাবেয়া খাতুন, লুচি, রোজি, কামরুননেছা, খায়রুন নাহার বেবী ও আরও স্কুলের বহু ছাত্রী।
যে যুগে মেয়েরা ঘর হতেই বের হতোনা, সেখানে প্রকাশ্যে মিছিল ব্যানার হতে রাস্তা প্রদক্ষিণ করা চরম বিষ্ময়কর ব্যাপার। ৫২-এর রক্তাক্ত শহিদ ভাইদের প্রাণের দাবিতে বের হতে বাধ্য হল প্রতিবাদমুখী বোনেরা। ভাষা সৈনিক আবু মোঃ ফেরদৌস এর ভাষায় মেয়েরা রাস্তায় নেমেছে, মিছিল করেছে। বোরকা পরেই মাজেদা (বেগম মাজেদা আলী) নেতৃত্ব দিয়ে লেডিস পার্কে নিয়ে এসেছে মেয়েদের মিছিল। তৎকালীন আর, কে গালর্স কলেজের ডিগ্রীর ছাত্রী পরবর্তীতে অধ্যক্ষ। অধ্যক্ষ আনোয়ারা খাতুন বলেন, প্রায় ২০০ ছাত্রীদের মিছিল করোনেশন গার্লস স্কুলের দক্ষিণ মোড়, পিটিআই-এর চৌরাস্তা হতে হাজী মহসীন রোড, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, যশোর রোড হয়ে লেডিস পার্কে সভা করে প্রতিবাদ মিছিলটি পুনরায় পি,টি,আই-র মোড়ে শেষ হয়। দু’পাশের রাস্তার বাড়ীঘর হতে পৌরবাসীরা দেখেছে আমাদের প্রতিবাদ মিছিল, হাত নাড়িয়ে অভিনন্দন জানিয়েছে উৎফুল্লভাবে ছাদের ওপর থেকে।
ভাষা সৈনিক আইনজীবী ‘১৯৪৮-৫২’ : এড. এ এফ এম আব্দুস জলিল, পার্ট অধ্যক্ষ, বি.এল কলেজ ইসলামের ইতিহাস বিভাগ, বি.এল কলেজ (১৯৪৭-৪৮), এড. আঃ জব্বার (১৯৭১ এ শহিদ), এড. এ এইচ দেলদার আহম্মেদ, প্রাক্তন মন্ত্রী, (পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার), মোস্তা গাউসুল হক (প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ব পাকিস্তান সরকার), আব্দুল হামিদ, আলী হাফেজ, নকিব উদ্দিন সরকার, আব্দুস সত্তার, আব্দুল ওহাব মোক্তার, গোলাম সায়ীদ মোক্তার প্রমুখ।
ভাষা সৈনিক তাহমিদ উদ্দিন, আবু মোহাম্মদ ফেরদৌস, আবুল কালাম শামছুদ্দিন সুনু, শেখ তোফাজ্জেল হোসেন, এসএমএ মোত্তালেবের স্মৃতিচারণ হতে জানা যায়, এ সকল আইনজীবীদের ভূমিকা। শেখ তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, আমিও গ্রেফতার হই ১৯৫২ এর ২১ ফেব্র“য়ারি পরবর্তী আন্দোলনে। এ সময় এ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার, গোলাম সায়ীদ মোক্তার অর্থ দিয়ে কোর্টে মামলা পরিচালনা করেছেন সর্বক্ষণ।
ইংরেজী ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যকার ঘটনা এত ব্যাপক এবং বিস্তৃত যে, সংগত কারণেই এখানে বিশদভাবে আলোকপাত করার অবকাশ নেই। 
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন বেগবান করার লক্ষ্যে ২১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ইংরেজী ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। ইংরেজী ১৯৫৪ সালে নবগঠিত যুক্তফ্রন্ট তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের শাসক দল মুসলিম লীগকে নির্বাচনে শোচনীয় ভাবে পারাজিত করেন। ইংরেজি ১৯৫৬ সালে প্রণীত তৎকালীন পাকিস্তানের শাসনতন্ত্রে উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষা অন্যতম রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ এবং শাসনতন্ত্রে সংযোজন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক বিজয় এবং সর্বশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধেও সফল পরিসমাপ্তিতে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন এবং সার্বভৌম বাংলাদেশ স্থান করে নিয়েছে।
(লেখক : প্রাক্তন সভাপতি, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতি)


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

বদলে যাবে মংলা বন্দর

বদলে যাবে মংলা বন্দর

০৩ জুলাই, ২০১৮ ০২:০১













ব্রেকিং নিউজ




আজ ১০ মহররম পবিত্র আশুরা 

আজ ১০ মহররম পবিত্র আশুরা 

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫৮

কেসিসিতে আজ ও কাল সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

কেসিসিতে আজ ও কাল সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫৭





খুলনায় সেঞ্চুরিতে নজর কাড়লেন সোহান

খুলনায় সেঞ্চুরিতে নজর কাড়লেন সোহান

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫০


অভিষেকেই আবু হায়দার রনির চমক

অভিষেকেই আবু হায়দার রনির চমক

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৪৫