খুলনা | শুক্রবার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

অযতœ-অবহেলায় পড়ে আছে রূপসার নির্মিতব্য কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার

কৃষ্ণ গোপাল সেন, রূপসা   | প্রকাশিত ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০১:০২:০০

অযতœ-অবহেলায় পড়ে আছে রূপসার নির্মিতব্য কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার

১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে ছিল সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিকসহ নাম না জানা অসংখ্য তাজা তরুণ প্রাণ। তাদের রক্তের বিনিময়ে বাঙালী পেয়েছিল মাতৃভাষা বাংলা। এ কারণে তাদের স্মৃতিকে ধরে রাখতে প্রতিটি উপজেলায় তৈরি হয় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার। কিন্তু রূপসাবাসীর দুর্ভাগ্য আজো পর্যন্ত রূপসা উপজেলা সদরে পরিপূর্ণভাবে তৈরি হয়নি ভালো কোন শহিদ মিনার। কয়েক বছর পূর্বে কাজদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যেন তেন ভাবে নির্মাণ করা হয় উপজেলা সদরের একমাত্র শহিদ মিনার। সেখানকার আশপাশের পরিবেশ এতই নোংরা যে শহিদ দিবসের দিনে পুষ্পস্তাবক নিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সময় জনগন দুর্গন্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে। প্রতিবছর শহিদ দিবসের দিনে জনগণ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছে বিষয়টি তুলে ধরে। অবশেষে গত ২ বছর পূর্বে রূপসা উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার তৈরি করার উদ্যোগ নেয় খুলনা জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদ থেকে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শহিদ মিনার নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। কাজদিয়ার জনৈক ঠিকাদার কাজটি পেলেও তিনি অবহেলা ও মনগড়া নক্সায় যেন তেন নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে শহিদ মিনার নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ থাকলেও উক্ত ঠিকাদার উপজেলা পরিষদ চত্বরের দক্ষিণপার্শ্বে অত্যন্ত স্বল্প খরচের মাধ্যমে উক্ত শহিদ মিনার নির্মাণ কাজ শেষ করেন। শহিদ মিনার নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও গাফিলতির অভিযোগে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ছাদেকুর রহমান ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা উক্ত শহিদ মিনারটি ঠিকাদারের কাছ থেকে গ্রহণ বা উদ্বোধন কিছুই করেননি। এভাবেই ২ বছরের অধিক সময়ে অবহেলায় শহিদ মিনারটি পড়ে থাকলেও প্রশাসন বা উপজেলা পরিষদ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অবশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইলিয়াছুর রহমান ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা উপজেলা সদরের একমাত্র শহিদ মিনারটি সুন্দর ও মর্যাদাপূর্ণ ভাবে তৈরি করার পরিকল্পনা হাতে নেন। আগামী ২ মাসের মধ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার হিসেবে বড় এবং চোখে পড়ার মতো শহিদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু করবেন বলে তারা জানান। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইলিয়াছুর রহমান এ প্রতিনিধিকে জানান রূপসা উপজেলায় যেহেতু বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ সমাধি স্থলে মাজার রয়েছে। সেখানে সরকারি ভাবে দেখার মতো একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। সেহেতু রূপসা উপজেলা পরিষদ চত্বরে নয়নাভিরাম একটি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে অতিদ্রুত নির্মাণ করা হবে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

বদলে যাবে মংলা বন্দর

বদলে যাবে মংলা বন্দর

০৩ জুলাই, ২০১৮ ০২:০১













ব্রেকিং নিউজ




আজ ১০ মহররম পবিত্র আশুরা 

আজ ১০ মহররম পবিত্র আশুরা 

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫৮

কেসিসিতে আজ ও কাল সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

কেসিসিতে আজ ও কাল সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫৭





খুলনায় সেঞ্চুরিতে নজর কাড়লেন সোহান

খুলনায় সেঞ্চুরিতে নজর কাড়লেন সোহান

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫০


অভিষেকেই আবু হায়দার রনির চমক

অভিষেকেই আবু হায়দার রনির চমক

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৪৫