খুলনা | মঙ্গলবার | ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

নড়াইলে চেয়ারম্যান পলাশ হত্যা

আ’লীগে যুগ্ম-সম্পাদকসহ ১৫ জনের নামে মামলা : দু’জন ঢাকায় গ্রেফতার

নড়াইল প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:৫৬:০০

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমান উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক লতিফুর রহমান পলাশ (৪৭) হত্যাকান্ডের ঘটনায় লোহাগড়া থানায় মামলা হয়েছে। হত্যাকান্ডের ৩য় দিন গত শনিবার রাত ১১টার দিকে নিহতের বড় ভাই জেলা পরিষদের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক দিঘলিয়া ইউনিয়নের কুমড়ী গ্রামের শরীফ মনিরুজামানকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধান আসামিসহ দু’জনকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
মামলায় অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছে, দিঘলিয়া ইউপি নির্বাচনে পরাজিত আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রাথী, লোহাগড়া উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কুমড়ি গ্রামের মাছুদুজ্জামান, দিঘলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহম্মেদ মাসুম, দিঘলিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ওহিদুর রহমান সরদার ও সোহেল খা। মামলার পর প্রধান আসামি শরীফ মনিরুজ্জামানকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া ঘটনার পর আটক মামলার আসামি শরীফ মনিরুজ্জামানের ভাই শরীফ বাকি বিল্লাহকে মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে ।
নড়াইলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদি হাসান বলেন,  মামলার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল ঢাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে প্রধান আসামি শরীফ মনিরুজ্জামানকে গত শনিবার ভোররাতে গ্রেফতার করে। তাকে নড়াইল আনা হয়েছে। তিনি আরো জানান, তদন্ত অব্যাহত আছে, মামলার অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
অন্যদিকে গতকাল দুপুরে লোহাগড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়। হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি শরীফ মনিরুজ্জামান ও তাঁর ভাই শরীফ বাকি বিল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওসি বলেন, ইতোপূর্বে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক চারজনকে ১৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
নিহত পলাশের ছোট ভাই মুক্ত রহমান বলেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ওই আসামিদের সঙ্গে পূর্ববিরোধ ছিল। গত ইউপি নির্বাচনের পর থেকে পলাশ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করে আসছিলেন। এতে বিরোধ আরও বাড়ে। এ কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক লতিফুর রহমান পলাশকে গত ১৫ ফেব্র“য়ারি দুপুর ১২টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রকাশ্যে গুলি করে এবং কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। লতিফুর রহমান পলাশ দিঘলিয়া ইউনিয়নের গোলাম রসুল শেখের পুত্র। তিনি ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামানকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এর আগেও পলাশ এই ইউনিয়ন পরিষদে একবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ












বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:১০


ব্রেকিং নিউজ












বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:১০