খুলনা | সোমবার | ১৮ জুন ২০১৮ | ৪ আষাঢ় ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও সমাধান নেই!

খুলনার সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক সংকট প্রকট

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০২:০০:০০

প্রয়োজনীয় ওষুধ নেই, এ্যাম্বুলেন্স নেই, নার্স আছে, চিকিৎসক নেই। খুলনার সব সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসক সংকট। গাইনি ও এনেসথেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় গর্ভবতী মায়েদের সিজারসহ অন্যান্য চিকিৎসা নিতে উপজেলা থেকে জেলা সদরে আসতে হয়। সংকট সমস্যা চলছে মাসের পর মাস। উপজেলা ও জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রতি মাসেই চিকিৎসক সংকটের কথা জানিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন পাঠাচ্ছেন। তাতেও চিকিৎসকের শূন্য পদ পূরণ হচ্ছে না।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মাসিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৭টি হাসপাতালের ৩০৮টি চিকিৎসক পদের মধ্যে ১২৬ পদ শূন্য। পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অবসরে গেছেন গেল রবিবার। বক্ষ ব্যাধি ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ ও সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের চিকিৎসক অসুস্থ। ফুলতলা, ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রশিক্ষণে রয়েছেন। এ অবস্থায় চলছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালের অবস্থা।
প্রতিবেদনে চিকিৎসকের শূন্য পদগুলোর মধ্যে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৯ পদের মধ্যে ২০টি, পাইকগাছা উপজেলায় ৩৩টির মধ্যে ২৬টি, দাকোপ উপজেলায় ৩১টির মধ্যে ২৩টি, ডুমুরিয়া উপজেলায় ৩৬টি পদের মধ্যে ২৮টি, রূপসা উপজেলায় ২৭টির মধ্যে ১৮টি, তেরখাদা উপজেলায় ২৮টির মধ্যে ১৭টি, দিঘলিয়া উপজেলায় ২৮চির মধ্যে ১৮টি, ফুলতলা উপজেলায় ২৫টির মধ্যে ১৪টি পদ শূন্য। তাছাড়া নগরীর খালিশপুর আরবান ডিসপেনসারী ও টুটপাড়া আরবান ডিসপেনসারীতে চিকিৎসকের একটি করে পদ শূন্য।
দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোজ্জামেল হক নিজামী জানান, এখানে ওষুধের সংকট প্রকট। দাকোপ ছাড়াও রামপাল, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটা উপজেলা থেকে রোগী আসায় চিকিৎসক সংকটের কারণে হিমসিম খেতে হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন ৭০ রোগী ভর্তি ও বহির্বিভাগে ১২০-১৩০ চিকিৎসা নিতে আসে। উপজেলায় ২২টি ক্লিনিক রয়েছে সেখানেও ওষুধের সংকট।
রবিবার অবসরে যাওয়া পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ প্রভাত কুমার দাস জানান, গাইনীর পদ শূন্য তাকোয় বেশী সংকটে পড়তে হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ৫-৭ জন গর্ভবতী মা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এখানে এক্সরে সুযোগ নেই।
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জানান, চিকিৎসকের ১৩টি পদেও মধ্যে ৯টি শূন্য। হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ জন যক্ষ্মা রোগী ভর্তি হচ্ছেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ মোঃ রওশন আনোয়ার ও খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ এএসএম আব্দুর রাজ্জাক জানান, চিকিৎসক সংকট নিরসনে প্রতি মাসে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হচ্ছে। ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছেনা। 
কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা আখম তমিজ উদ্দিন গেল মাসে জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় উত্থাপন করেন-গাইনী চিকিৎসক না থাকায় অনেক মাকে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এসভায় রূপসা উপজেলা কর্মকর্তা এ্যাম্বুলেন্সের চালক সংকটের তথ্য উপস্থাপন করেন। এ সভায় সিভিল সার্জন উল্লেখ করেন চিকিৎসক সংকটের কারণে সেবাদান ব্যাহত হচ্ছে। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ




আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা

আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা

১৫ জুন, ২০১৮ ০১:০০







আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

১৫ জুন, ২০১৮ ০০:৪৬



ব্রেকিং নিউজ




আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা

আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা

১৫ জুন, ২০১৮ ০১:০০








আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

১৫ জুন, ২০১৮ ০০:৪৬