খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২৪ মে ২০১৮ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে

দিঘলিয়ার সদর ইউপি চেয়ারম্যানের  বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০২:৩০:০০

দিঘলিয়ার সদর ইউপি চেয়ারম্যানের  বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

দিঘলিয়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (সদর ইউনিয়ন) চেয়ারম্যান মোল্লা ফিরোজ হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে নেমেছে জেলা পর্যায়ের তিন সদস্যের কমিটি। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকের নির্দেশে এ কমিটি কাজ করছে। 
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ইশরাত জাহান গতকাল বুধবার দুপুরে জানান, চেয়ারম্যান মোল্লা ফিরোজ হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাকির হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি কাজ করছে। কমিটির অপর দু’সদস্য হলেন জেলা বাজার কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদার ও জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস ফাতেমা জামিন। চলতি মাসের শেষের দিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।  
ইউপি সদস্যদের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ইউপির বিভিন্ন তথ্য গোপন, সদস্যদের মতামত না নেওয়া, ইচ্ছামত রেজুলেশন তৈরি, একাধিক সদস্যের স্বাক্ষর জাল করে সচিব ফারুক হোসেনের সহযোগিতায় চেয়ারম্যান মোল্লা ফিরোজ হোসেন সকল কার্যক্রম করছেন। তার বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান মোল্লা ফিরোজ হোসেনের বিরুদ্ধে মালামাল কেনার জন্য ‘শরীক’ নামক একটি বেসরকারি সংস্থা প্রদত্ত অনুদানের ২ লাখ টাকা, কাজ না করেই হাট-বাজারের জন্য উপজেলা পরিষদ থেকে প্রাপ্ত অর্থ, পরিষদের প্রায় এক লাখ টাকার গাছ বিক্রি, দেয়াড়া কলোনী খেয়াঘাট বাবদ নামমাত্র টাকা পরিষদে জমা দেখিয়ে বাকি টাকা, লোকাল গভার্মেন্ট সাপোর্ট প্রোগ্রাম (এলজিএসপি) সহ ব্যাংকে আংশিক অর্থ রেখে বাকি টাকা, নাগরিক সনদ, জন্মনিবন্ধন, ওয়ারেশকাম সার্টিফিকেট ও ট্রেড লাইসেন্স’র আংশিক টাকা জমা দেখিয়ে অর্থ এবং ভুয়া প্রকল্পের নামে কিছু টাকা খরচ দেখিয়ে ট্যাক্সের প্রায় ২০-২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। 
ইউপি সদস্যদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৬ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শম্পা কুন্ডু দিঘলিয়া উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আফরুজ্জামানকে আহবায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। 
অভিযোগকারীদের অন্যতম ইউপি সদস্য মোল্লা হারুনর রশীদ ও এবিএম আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় এক মাসেও তদন্ত কার্যক্রম শুরু না হওয়া রহস্যজনক। এতে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ-সংশয় তৈরি হয়েছে। যে কারণে ন্যায় বিচার এবং অনিয়ম ও দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনের স্বার্থে তারা এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ