খুলনা | মঙ্গলবার | ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৪ |

Shomoyer Khobor

নগরীর সড়কগুলোতে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত পেডিস্ট্রিয়ান আইল্যান্ডে জনভোগান্তি 

কোটি টাকার অপচয়!

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০২:০০:০০

কোটি টাকার অপচয়!

মহানগরী খুলনার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে অপরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য পেডিস্ট্রিয়ান আইল্যান্ড। কোটি টাকা ব্যয়ে মানুষের যাতায়াত সহজ, ঝুঁকিমুক্ত, যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এসব আইল্যান্ড তৈরির কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে তা জনসাধারনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে প্রকল্পের আসল লক্ষ ও উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নগরীর বিভিন্ন রোডের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাফিক মোড়  ইঞ্জিনিয়ারিং পয়েন্ট অব ভিউ থেকে আপডেড করার উদ্যোগ নেয়া হয়। পয়েন্টগুলো হল বাংলাদেশ ব্যাংক ইন্টারসেকশন, পিকচার প্যালেস ইন্টারসেকশন, ডাক বাংলার মোড়, পুরাতন ফেরিঘাট মোড়, পাওয়ার হাউজ মোড়, শিববাড়ি মোড়, বয়রা কলেজ ইন্টারসেকশন, রাম চন্দ্র দাশ রোড, ফারাজিপাড়া রোড, পঞ্চবীথি ইন্টারসেকশন, তারের পুকুর রোড, হোটেল রয়্যাল ইন্টারসেকশন, মৌলভীপাড়া রোড, ইউসুফ রোঁ, পিটিআই মোড়, বাবু খান রোড ইন্টারসেকশন, হাজী মহসিন রোড ইন্টারসেকশন, ফায়ার স্টেশন, খানজাহান আলী রোড (সুন্দরবন কলেজের সামনে), গগণ বাবু রোড ইন্টারসেকশন, কলেজিয়েট গার্লস স্কুল, রূপসা স্ট্যান্ড মোড় ও স্টেশন রোড (জব্বার স্মরণী) ইত্যাদি। এক কোটি টাকা ব্যয়ে জার্মান সরকারের সহায়তায় ইতোমধ্যে পরিকল্পনা অনুযায়ী বেশির ভাগ স্থানে এসব পেডিস্ট্রিয়ান আইল্যান্ড নির্মিত হয়েছে। 
তবে নগরীর বাসিন্দারা জানান, পেডিস্ট্রিয়ান আইল্যান্ডের কারনে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আর ঘন ঘন এ আইল্যান্ড নির্মিত হওয়ায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক আইল্যান্ডে রোড মার্ক না থাকায় যাতায়াত সহজের বদলে ঝুঁকির তৈরি হয়েছে। এছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধীদের পারাপারের কথা বলা হলেও ফুটপাথ চলাচলের অনুপযোগী থাকায় এ ধরনের কোন সুযোগ এখনও তৈরি হয়নি। ফলে সড়কগুলোতে পেডিস্ট্রিয়ান আইল্যান্ড নির্মাণে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উল্টো জনসাধারণের ভোগান্তি বেড়েছে। 
জনউদ্যোগ খুলনার আহ্বায়ক কুদরত ই খুদা সময়ের খবরকে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অপরিকল্পিতভাবে পেডিস্ট্রিয়ান আইল্যান্ড নির্মাণের কোন যুক্তি নেই। এতে শুধুমাত্র অর্থের অপচয় হয়েছে।  এছাড়া এটি চলাচলে ঝুঁকি ও যানজট সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা নষ্ট করেছে। ফলে জনসাধারণের জন্য এ প্রকল্প কোন মঙ্গল বয়ে আনেনি। 
তবে এ ব্যাপারে কেসিসির প্রধান প্রকৌশলী (চঃদঃ) মোঃ নাজমুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ