খুলনা | মঙ্গলবার | ১৪ অগাস্ট ২০১৮ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

‘বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ’

প্রত্যাবাসন চুক্তি বাস্তবায়নে মিয়ানমারের সাড়া পায়নি বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০:০০

বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে এখন স্বয়ংসম্পূর্ণÑজানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি  বলেন, খাদ্য উৎপাদন বেড়ে ২০১৭ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৯ মিলিয়ন টন। গতকাল মঙ্গলবার ইতালির রোমে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) গভর্নিং কাউন্সিলের ৪১তম অধিবেশনে ‘নাজুকতা থেকে দীর্ঘমেয়াদে তেজিভাব : টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধে এ আহ্বান জানান তিনি।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যে তার সরকারের অগ্রাধিকারমূলক লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং সবার জন্য পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় নানা কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার ভূমিহীন কৃষকদের সহজশর্তে ঋণ দিচ্ছে, ভর্তুকি দিচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে কোনো ভূমিকা না থাকলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশ।এর আগে জাতিসংঘ সংস্থাগুলো রোহিঙ্গাদের জরুরী সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির-ডব্লিউএফপির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিজলী বলেন, তবে এ বিষয়ে দাতাদের আগ্রহ কমে আসছে।
এর আগে সোমবার ভ্যাটিকান সিটির সেক্রেটারী অব স্টেট কার্ডিনাল পিয়েট্রো প্যারোলিনের সঙ্গে এক বৈঠকে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 
শেখ হাসিনা বলেন, সমস্যার মূল রয়েছে মিয়ানমারে, এর সমাধানও বের করতে হবে মিয়ানমারকেই। বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক এবং ভ্যাটিকান সিটিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান এসব কথা সাংবাদিকদের জানান। 
শামীম আহসান জানান, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১০ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ভ্যাটিকান সিটির সেক্রেটারী অব স্টেটকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সীমান্তের ওপার থেকে সমস্যার সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এর সমাধানও রয়েছে সেখানে। তাই চুক্তি বাস্তবায়নও করতে হবে মিয়ানমারকে। কিন্তু এ ব্যাপারে আমরা এখনো মিয়ানমারের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাইনি।’
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গারা যাতে তাদের স্বদেশ ভূমিতে ফিরে যেতে উৎসাহিত হয়, মিয়ানমারকে সে ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এ দায়িত্ব মিয়ানমার সরকারকে নিতে হবে।
এ প্রসঙ্গে তিনি গত বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাঁর পেশ করা পাঁচ দফা প্রস্তাবের কথা আবার উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, মিয়ানমার এখনো কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন করেনি। বৈঠকে ভ্যাটিকান সিটির সেক্রেটারী অব স্টেট সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের কঠোর লড়াইয়ের প্রশংসা করেন।


 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


৪৫ পয়সা সর্বনিম্ন কলরেট চালু 

৪৫ পয়সা সর্বনিম্ন কলরেট চালু 

১৪ অগাস্ট, ২০১৮ ০০:২৮












ব্রেকিং নিউজ





শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

১৪ অগাস্ট, ২০১৮ ০১:১৭