খুলনা | রবিবার | ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৪ |

Shomoyer Khobor

বিক্রেতাদের তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে :  আইনমন্ত্রী

মাদকের গডফাদারদের তালিকা  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ২২:৪২:০০

বাংলাদেশে মাদক বিক্রি, চোরাচালানের মূল হোতাদের একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আছে বলে জানিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। এই তালিকা ধরে কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সরকার মাদক নিয়ে উদ্বিগ্ন। মাদক বিক্রেতাদের তালিকা তৈরি করে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে।
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন দু’মন্ত্রী । আমু জানান, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে সরকার মাদক বিক্রি বা চোরাকারবারে জড়িতদের তালিকা প্রকাশ করতে যাচ্ছে সরকার। শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন বিশেষভাবে মাদক ব্যবসায়ী গডফাদার সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তালিকার ভিত্তিতে কাজ করছি।’ তবে এই গডফাদার কারা, সে বিষয়ে ব্রিফিংয়ে কিছু জানাননি আমু।
দেশে জঙ্গি তৎপরতা নিয়ন্ত্রণের পর্যায়ে এসেছে জানিয়ে আমু বলেন, ‘বেড়েছে মাদক সেবন। তাই আমরা মাদকটাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। মাদক যাতে বেশি পরিমাণে বিস্তার াভ করতে না পারে সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।’
সরকার মাদককে দেশের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে বলেও জানানো হয় সভায়। আমু বলেন, ‘এভাবে মাদক সেবন বৃদ্ধি পেলে জাতির ভবিষ্যৎ একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা বেশ কিছু কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এর মধ্যে রয়েছে জনগণকে সম্পৃক্ত করা। সমস্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা হবে।’
‘দেশের সমস্ত মসজিদে খুদবা শুরুর আগে ইমাম সাহেব যেন এ ব্যাপারে সচেতনতামূলক কথা বলেন এবং মাদকের খারাপ দিক তুলে ধরেন এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হবে।’ ‘বিশেষ করে সমাজে যাতে মাদকবিরোধী একটি সামাজিক বিপ্লব হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা এই কর্মতৎপরতা গ্রহণ করেছি। এটা কার্যকর করার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ তিনি জানান, মাদক ব্যবসায়ী ও গডফাদারদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া তালিকার ভিত্তিতে ৮৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে কারাগারে রয়েছে ১৮৮ জন।
২০১৩ সালে হতে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ১২৩ জন মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানানো হয় সভায়। বলা হয়, ‘দেশের মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সমস্ত গোয়েন্দা সংস্থার তালিকা সমন্বয় করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা  হবে।’
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতির দাবি : গত এক বছরে দেশে নানা অপরাধের সংখ্যাগত পরিসংখ্যান দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিরও দাবি করেন আমু। বলেন, ‘আমরা আইন-শৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা যেসব অবলোকন করেছি সেটা হচ্ছে তুলনামূলক অপরাধ কমেছে।’
২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, ডাকাতি, খুন, অপহরণ ও চুরি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলেও জানানো হয় সভায়।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



এ বছরের ডিসেম্বরেই  অবসরে যাবো : মুহিত

এ বছরের ডিসেম্বরেই  অবসরে যাবো : মুহিত

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:১৩




চুক্তির পরও ৭০ হাজার রোহিঙ্গার প্রবেশ!

চুক্তির পরও ৭০ হাজার রোহিঙ্গার প্রবেশ!

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:০৫







ব্রেকিং নিউজ






ভাষা আন্দোলনের দিনগুলি

ভাষা আন্দোলনের দিনগুলি

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:৫০