খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৬ অগাস্ট ২০১৮ | ১ ভাদ্র ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

সহজেই শিশু-কিশোরদের হাতের নাগালে

নগরীর বিপনী বিতান ও ক্রোকারিজ শো-রুমে অবাধে বিক্রি হচ্ছে ছুরি-চাকুসহ ধারালো অস্ত্র

সোহাগ দেওয়ান | প্রকাশিত ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮ ০২:০০:০০

মহানগরীর বিভিন্ন বিপনী বিতান, ক্রোকারিজ কোম্পানির শো-রুমগুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে ছুরি, চাকুসহ নানা প্রকৃতির ধারালো অস্ত্র। মূলতঃ শাক সবজি কাটা-কুটি ও রান্না ঘরের কাজে ব্যবহারের জন্য এ সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দেশি-বিদেশি এ সকল ধারালো অস্ত্রের পশরা সাজিয়ে রাখা হয়। তবে এ সকল ছুরি-চাকুর মধ্যে অধিকাংশ চাইনিজ (বিদেশী) ব্রান্ডের বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। শো-রুম থেকে ধারালো এ সকল পণ্য বিক্রিকালে কোন নিয়ম মানছেন না ব্যবসায়ীরা। স্কুল কলেজ পড়–য়া শিশু-কিশোর ও যুবকরা অনায়াসে এ সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় ধারালো অস্ত্র কিনে নিচ্ছে। আর দৃষ্টি নন্দন এ সকল ধারালো অস্ত্র কিনে নিয়ে শিশু-কিশোররা অজান্তেই নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। 
এ বিষয়ে নগরীর একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ও সেলস্ কর্মীদের সাথে ধারালো এসব পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে তারা কি ধরনের নীতি মানেন সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। দেখা যায়, তাদের মধ্যে অধিকাংশ ব্যক্তি এ বিষয়ে পুরোপুরি অজ্ঞ। কেউ কেউ বুঝতে পেরে কৌশলে ভিন্ন যুক্তি দিয়েছেন। তবে তাদের খোঁড়া যুক্তি মতে কোন বাবা-মা তার সন্তানের জন্য দৃষ্টি নন্দন ছুরি-চাকু কিনে রাখেন না। এক শ্রেণীর কিশোর-যুবক এ সকল ছুরি-চাকু ক্রয় করে মজুদ রাখছে বলেও একটি সূত্রে জানা গেছে। যা আগামী সিটি নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচনের মাঠে আইন-শৃঙ্খলা অবনতি ঘটানোর কাজে ব্যবহার হতে পারে এমই আশঙ্কা সূত্রটির। 
গতকাল সোমবার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নগরীর নিউমার্কেট, বড় বাজার, বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিতানে দেখা গেছে ভয়াবহ চিত্র। দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ছুরি, চাকু খোলা মেলাভাবে বিক্রি হচ্ছে। শিশু-কিশোর ও যুবকদের কাছে বিক্রি করছে এ সকল ধারালো পণ্য। যা পরবর্তীতে নানা অপরাধসহ প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটায়। এছাড়া নগরীর কেডিএ এভিনিউস্থ বেশ কয়েকটি ক্রোকারিজের শো-রুমে বিদেশী ধারালো অস্ত্রের অবাধে বিক্রি হচ্ছে। তবে এ সকল পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বলে মতামত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 
এ বিষয়ে খুলনার জেলা প্রশাসক আমিন উল আহসান এ প্রতিবেদককে বলেন, কম বয়সের কারও কাছে এ ধরনের পণ্য বিক্রি থেকে ব্যবসায়ীদের বিরত থাকতে হবে। এটা নৈতিক দায়িত্ব বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাছাড়া সবার আগে সন্তানরা কি করছে তা শিশু-কিশোরদের অভিভাবকদের নজরদারি রাখতে হবে। তা না হলে কোমলমতি শিশু-কিশোররা ভুল পথে পা দিতে পারে। 
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, বিষয়টি আমরা খুবই গুরুত্বের সাথে দেখবো। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ












হারে শেষ প্রোটিয়াদের লঙ্কা সফর

হারে শেষ প্রোটিয়াদের লঙ্কা সফর

১৬ অগাস্ট, ২০১৮ ০০:৫৭