খুলনা | মঙ্গলবার | ২২ মে ২০১৮ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

খুলনায় রেকর্ড রান ইস্ট জোনের

ক্রীড়া প্রতিবেদক | প্রকাশিত ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:৩৪:০০

বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগের (বিসিএল) তৃতীয় রাউন্ডের খুলনায় ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন মুখোমুখি হচ্ছে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের। তৃতীয় রাউন্ডে প্রথম ইনিংসে একটি ডাবল সেঞ্চুরি আর তিনটি সেঞ্চুরিতে ভর করে ৭৩৫ রানের রেকর্ড রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন জাকির হাসান। এছাড়া সেঞ্চুরি পেয়েছেন লিটন দাস, ইয়াসির আলী রাব্বী ও অলক কপালী। বিসিএলে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আর বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ রান। 
শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম দিন ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৩২ রান সংগ্রহ করেছিল ইস্ট জোন। গতকাল সোমবার তারা আরও ৪০৩ রান যোগ করে ইনিংস ঘোষণা করে। ইসলামী ব্যাংকের মোট উইকেট পড়েছে ৬টি। আগের দিন ১৫৬ রান করে অপরাজিত থাকা জাকির হাসান  এদিন নিজের ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পান। ক্যারিয়ার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন তিনি। আগের দিনের মতো এদিনও শুরু থেকেই দেখে শুনে খেলতে থাকেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান। দলীয় ৩৭৫ রানে দিনের প্রথম সফলতার মুখ দেখে ওয়ালটন। তাসকিন আহমেদের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে তানভীর হায়দারের হাতে ধরা পড়েন তাসামুল হক। আউট হওয়ার আগে নিজের অর্ধশতও পূর্ণ করেন তিনি। তার ব্যাটে যোগ হয় ৬০ রান। ১০৭ বল খেলে ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে এ রান করেন তিনি। এরপর অলক কাপালিকে নিয়ে জুটি বাঁধেন জাকির হাসান। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এই ব্যাটসম্যনের ব্যাট তখনও আরও লম্বা হয়ে গেছে। আগের দিনই ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলা জাকির হাসান পৌঁছে যান ডাবল সেঞ্চুরিতে। নিজের ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার অবশ্য খুব বেশী দূর এগোনো হয়নি জাকিরের। দলীয় ৪৫৩ রানে আউট হয়ে যান ব্যক্তিগত ২১১ রানের অববদ্য এক ইনিংস খেলে। তার আউটেই ৭৮ রানের জুটি ভাঙে ইসলামী ব্যাংকের। এ উইকেটটিও শুভাগত হোমের পকেটেই যায়। তবে দারুণ কৃতিত্ব ছিল তানভীর হায়দারের। শুভাগত’র বলে উড়িয়ে মারেন জাকির। বাউন্ডারি লাইন থেকে অনেকটা দৌড়ে এসে দারুণ ক্যাচ লুফে নেন তানভীর হায়দার। 
এরপরও ওয়ালটনের ভাগ্যে খোলেনি। ইসলামী ব্যাংকের হয়ে ইয়াসির রাব্বি আর অলক কাপালী। এ জুটি যেন এমনভাবে খেলেন, যেন ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে শুরু করে দিয়েছেন। এ জুটিতে এ দু’জন মিলে যোগ করেন ২২১ রান। সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের হয়ে এটিই সর্বোচ্চ রানের জুটি। দু’জনেই লম্বা ব্যাটে খেলতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় ৬৭৪ রানে ইয়াসির রাব্বীর আউটে জুটি ভাঙে তাদের। ১৩২ রান করে রনি তালুকদারের বলে আউট হন ইয়াসির। ১৭৫ বলে ১৩২ রান করেন তিনি। ১২টি বাউন্ডারি আর ২টি ওভার বাউন্ডারি ছিল তার ইনিংসে। রাব্বী আউট হওয়ার পর আরও বড় শর্ট খেলতে থাকেন অলক কাপালী। দিনের খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে শেষ পর্যন্ত ইনিংস ঘোষণা করে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। অপরাজিত থেকেই খেলা শেষ করেন অলক কাপালী। কাপালীর ব্যাটে যোগ হয় ১৬৫ রান। মাত্র ১৩৯ বল খেলে ১০টি বাউন্ডারি ও ৯টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে এ রান করেন তিনি। ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন সোহাগ গাজী। 
ওয়ালটনের হয়ে শুভাগত হোম ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া আবু হায়দার রনি ২টি ও তাসকিন আহমেদ একটি উইকেট নেন। 
জবাবে ব্যাট করতে নেমে দিনশেষে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন ১১ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৪০ রান সংগ্রহ করেছে। ৩৪ বলে ১৭ রান করে আউট হয়ে গেছেন রবিউল ইসলাম। সাদমান ইসলাম ১৮ ও মেহরাব হোসেন ৩ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। ইসলামী ব্যাংকের হয়ে উইকেটটি নেন সোহাগ গাজী। 


 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ