খুলনা | মঙ্গলবার | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ | ৮ কার্তিক ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

শেষ হলো তিন দিনব্যাপী খুলনা উন্নয়ন মেলা

শেখ রাসেল ইকোপার্ক পরিদর্শনে জনপ্রশাসনের সিনিয়র সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৪ জানুয়ারী, ২০১৮ ০১:১২:০০

খুলনা জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সেবা সমূহ প্রদর্শনীর মাধ্যমে গতকাল শনিবার শেষ হল তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা। খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে এ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান।
প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ এখন তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল। এক সময় যারা বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করত, তারাই এখন বাংলাদেশেকে উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের স্বীকৃতি স্বরুপ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছি এবং ২০৪১ সালের মধ্যে এদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। 
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ভূমি আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল হান্নান এবং বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আমিন উল আহসান। পরে প্রধান অতিথি মেলায় অংশগ্রহণকারী  সেরা দশটি স্টলের মঝে ক্রেস্ট এবং সনদপত্র বিতরণ করেন। 
এদিকে গতকাল দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রূপসা নদীর তীর ঘেঁষে নির্মাণাধীন খুলনার ‘শেখ রাসেল ইকো পার্ক’ পরিদর্শন করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, খুলনা জেলা প্রশাসক আমিন উল আহসান, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ নূর-ই-আলম, এনডিসি মোঃ জাকির হোসেন।
উল্লেখ্য, খুলনা শহরের পাশে রূপসা নদীর তীর ঘেঁষা মাথাভাঙ্গা মৌজায় প্রায় ৪৩ একর সরকারি খাস জমিতে ‘শেখ রাসেল ইকো পার্ক’ তৈরি করছে খুলনা জেলা প্রশাসন। ইকোপার্কটিতে জলাশয়ের উন্নয়ন করে লেক সৃষ্টি করা হবে। লেকের মধ্য দিয়ে কাঠের রাস্তা (নিচে কংক্রিটের পিলার) তৈরিসহ পানির উপর ভাসমান রেস্টুরেন্ট স্থাপন ও পানির বিভিন্ন রঙিন ঝর্ণা এবং ফিস মিউজিয়াম স্থাপন (সম্ভব হলে অ্যাকুরিয়াম) করা হবে। হেরিটেজ মিউজিয়াম স্থাপন করে সুন্দরবন এলাকার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখা হবে। বনায়ন সৃষ্টি করে পাখি ও বন্য প্রাণির অভয়ারণ্য সৃষ্টি করা হবে। ইকোপার্কটি নির্মিত হলে পার্কে বসে দর্শনার্থীরা রূপসা সেতুর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ





যশোরে সাংবাদিক নোভার  আত্মহত্যা

যশোরে সাংবাদিক নোভার  আত্মহত্যা

২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:৫৬









ব্রেকিং নিউজ





যশোরে সাংবাদিক নোভার  আত্মহত্যা

যশোরে সাংবাদিক নোভার  আত্মহত্যা

২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:৫৬