খুলনা | বুধবার | ১৭ অক্টোবর ২০১৮ | ২ কার্তিক ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

৭টি দরপত্র বিক্রি তবে শেষদিনে  জমা পড়েনি একটিও

খুলনা টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনে  টেন্ডার আহ্বানে সাড়া মেলেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৪ জানুয়ারী, ২০১৮ ০২:০০:০০

খুলনা টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনে  টেন্ডার আহ্বানে সাড়া মেলেনি

খুলনা টেক্সটাইল পল্ল¬ী স্থাপনে টেন্ডারের আহ্বান করা হলেও কোন সাড়া মেলেনি। ফলে বহু কাঙ্খিত এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ফের নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে। অবশ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, বিটিএমসি ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মহানগরীর ছোট বয়রা এলাকা সংলগ্ন বর্তমান নিউ মার্কেটের পশ্চিম পাশে আচার্য প্রফুল্ল¬ চন্দ্র কটন মিল নামে ১৯৩১ সালে ২৫.৬৩ একর জমির ওপর স্থাপিত মিলটির ১৯৬০ সালে নামকরণ করা হয় খুলনা টেক্সটাইল মিলস্ লিমিটেড। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশে মিলটি জাতীয়করণ করা হয়। ১৯৯৩ সালে মিলটি লে-অফ  ঘোষণা করে সব জনবলকে বিদায় দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালে আ’লীগ সরকার টেক্সটাইল মিলটি টেক্সটাইল পল্লী হিসেবে চালুর উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ২০০১ সালে সেটি আবার স্থগিত করে। ২০০৯ সালে আ’লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর আবারও টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের কাজ শুরু করে। কিন্তু স্বাধীনতা পূর্ববর্তী ঋণ আদায়ের লক্ষে রূপালী ব্যাংক মামলা দায়ের করে। এতে প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। 
জানা গেছে, মিলের সঙ্গে রূপালী ব্যাংকের সোলেনামা মূলে বিরোধ নিষ্পত্তির পর পুনরায় প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। পরিশোধ করা হয় ব্যাংকের ২ কোটি ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকার ঋণ। ব্যাংক ঋণ পরিশোধের পর ১৮.০২ একর জমিতে ২৪টি শিল্প প্ল¬টে বিভক্ত করা হয়। এর বাইরে অতিরিক্ত ৪.৬১ একর জমি রাস্তা, মসজিদ, বিদ্যালয়, কবরস্থান, পার্ক এবং ইউটিলিটি সার্ভিসের জন্য রাখা হয়। বিক্রি করা হয় মিল এলাকার যন্ত্রপাতি, ভবন ও গাছপালা। অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে নেওয়া হয় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা। ঠিক এমনই সময় ২০১০ সালে জনৈক মাহমুদ আলী মৃধা হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন (নম্বর ৯৮৮০/২০১০)। ওই রিটের বিপরীতে ২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারিতে খুলনা টেক্সটাইল মিলের শেয়ার হস্তান্তরে সরকারকে বিরত থাকার অন্তর্বর্তী আদেশ দেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। পরে বিটিএমসির পক্ষ থেকে আপিল করা হলে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে রিট পিটিশনটির রায়ের পূর্বে বিচারিক বেঞ্চ ভেঙে যায়। তবে বিচারিক বেঞ্চ ভেঙে যাওয়ার দীর্ঘদিন পর মামলাটি হাইকোর্টের (এন এক্স ২৬ নম্বর) কক্ষের বিচারপতি রেফাত আহমেদের বেঞ্চে পাঠানো হয়। সেখানে নতুন করে শুনানি শুরু হয়। বাদীপক্ষের একাধিকবার সময় প্রার্থনার পর শুনানির এক পর্যায়ে আবারও বেঞ্চ ভেঙে যাওয়ায় বিচারকার্য বিলম্বিত হয়। এরপর গত বছরের আগস্ট মাসে হাইকোর্ট মামলাটি খারিজ করে দেয়। ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় বিটিএমসি।
খুলনা টেক্সটাইল মিলের ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পর সার্ভে রিপোর্ট ও ডিজাইন তৈরি করে বিটিএমসির ঢাকা অফিসে পাঠানো হয়। পাশাপাশি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে গত বছরের ২৬ নভেম্বর টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭টি দরপত্র বিক্রি হয়। ১০ জানুয়ারি দরপত্র গ্রহণ এবং ১১ জানুয়ারি দরপত্র খোলা হয়। সেখানে কোন দরপত্র জমা পড়েনি। এখন বিটিএমসি ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ











‘বাংলাদেশে কোন সংখ্যালঘু নেই’ 

‘বাংলাদেশে কোন সংখ্যালঘু নেই’ 

১৭ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:৩৭



ব্রেকিং নিউজ











‘বাংলাদেশে কোন সংখ্যালঘু নেই’ 

‘বাংলাদেশে কোন সংখ্যালঘু নেই’ 

১৭ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:৩৭