খুলনা | শনিবার | ২১ এপ্রিল ২০১৮ | ৮ বৈশাখ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

বটিয়াঘাটায় স্কুল ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত 

অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ তদন্ত কমিটির

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৪ জানুয়ারী, ২০১৮ ০১:০৭:০০

জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার খারাবাদ বাইনতলা পুলিশ ক্যাম্পের পাঁচ সদস্যদের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীদের যৌন উত্ত্যক্ত এবং তার প্রতিবাদ করায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে মারধরের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। অভিযুক্ত নায়েক মোঃ জাহিদুল ইসলাম (ন/৪১৪), পুলিশ কনস্টেবল মোঃ নাঈমুল ইসলাম (কং নং-২২০৮), মোঃ মামুন কবির (কং নং-২০৯৭), রিয়াজ হোসেন (কং নং-৯৮৫) ও আবির হোসেন (কং নং-১৬৮৩)-এর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন তারা। আজ রবিবার সকালে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
ভারপ্রাপ্ত জেলা পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তর) মোঃ নাঈমুল হক বলেন, “তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দেখা গেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন তারা। পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সুনাম, মর্যাদা ও ঐতিহ্য রক্ষার্থে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি নেবার সুপারিশও করেছেন। জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় পুলিশ সপ্তাহে যোগদান করায় ঢাকায় ছিলেন। আজ রবিবার তিনি দায়িত্বে এসে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।”
এসব বিষয়ে জানতে তদন্ত কমিটির প্রধান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) মোঃ সজীব খানের সরকারি নম্বরে কয়েকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
অন্য সূত্র জানায়, কমিটির সদস্যরা গত বৃহস্পতিবার বাইনতলা পুলিশ ক্যাম্প এলাকায় যান। তারা পুলিশ কর্তৃক যৌন হয়রানির শিকার খারাবাদ বাইনতলা স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণীর সাতজন ছাত্রী, পুলিশের মারপিটে আহত নর্থ ওয়েস্টার্ণ ইউনিভার্সিটির ল’র ছাত্র তারেক মাহমুদ ও তার পিতা মোঃ মুজিবর রহমান, আমীরপুর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম মিজানুর রহমান মিলনসহ স্থানীয় ৩০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া তারা অভিযুক্তদেরও বক্তব্য শুনেছে তদন্ত কমিটি।
প্রসঙ্গত, গত ৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকেও খারাবাদ বাইনতলা স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্রীদের যৌন উত্ত্যক্ত করে ওই পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত পাঁচ পুলিশ সদস্য। তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় ওই পাঁচ পুলিশ সদস্য একজন ছাত্রীর ভাই তারেক মাহমুদকে বেধড়ক মারপিট করে। পরে অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্তসহ ফাঁড়ির ১২ জনকেই প্রত্যাহার করে খুলনা পুলিশ লাইনে নিয়ে আসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মোঃ নাঈমুল হক।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ