খুলনা | সোমবার | ২৩ এপ্রিল ২০১৮ | ১০ বৈশাখ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

যশোরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন  বিপর্যস্ত : তিন দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা 

যশোর প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১৪ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:২১:০০

যশোরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন  বিপর্যস্ত : তিন দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা 

টানা দশদিন ধরে শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের জনজীবন। কনকনে শীতে জবুথবু পরিস্থিতি সাধারণ মানুষসহ প্রাণিকুলের। যশোরাঞ্চলে প্রতিদিনই ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকছে তাপমাত্রা। গতকাল শনিবার সকালেও যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ নিয়ে এই মৌসুমে তিনদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে রেকর্ড করা হলো।  
গত কয়েক বছর পর এবার পৌষের মাঝামাঝিতে এ অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবার জানুয়ারির শুরু থেকেই যশোরে তাপমাত্রা কমতে থাকে। শুরু হয় শৈত্যপ্রবাহ। আর শৈত্যপ্রবাহের শুরুতেই গত ৫ জানুয়ারি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় যশোরে। এরপর তাপমাত্রা কমতে কমতে এ জেলায় ৫ দশমিক ২ ডিগ্রি পর্যন্ত নামে। পরে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও গত ১১ জানুয়ারি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় যশোরে। এরপর গতকাল শনিবার সকালেও দেশের সর্বনিম্ন ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে। যদিও এদিন সকালে যশোরের সাথে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়ও সর্বনিম্ন ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, খুলনা বিভাগ জুড়ে চলা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আরও দু’একদিন চলতে পারে। এরপর তাপমাত্রা বেড়ে স্বাভাবিক হবে। 
এদিকে, প্রচন্ড শীতের কারণে যশোরাঞ্চলে মানুষের জীবনযাত্রা থমকে গেছে। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। এ কারনে স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জবুথবুু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। তবে হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হতে হয়েছে শ্রমজীবী মানুষকে। জীবনের প্রয়োজনে তাদেরকে কাজে নামতে বাধ্য হতে হয়েছে। অবশ্য খুব সকালে ফসলের ক্ষেতে প্রতিদিনের মতো চাষিদের দেখা মেলেনি। তারা রোদের তাপে বসে মাঠের কাজ করেছে।


 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ