পুরো মাস জুড়ে থাকতে পারে শীতের প্রকোপ


তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পুরো জানুয়ারি মাস জুড়েই থাকবে শীতের প্রকোপ। ঘন কুয়াশায় দেখা মিলছে না সূর্যের আলো। আর শীতে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ-বালাই। ঘন কুয়াশার সাথে হিমশীতল বাতাসের কারণে কমছে না শীতের তীব্রতা। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কর্মব্যস্ত জনজীবন। সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষের। কাজে যেতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গতকাল শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় নওগাঁর বদলগাছীতে, সেখানে ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাছাড়া খুলনায় ৯ ডিগ্রি, বাগেরহাটের, মংলায় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি, সাতক্ষীরায় ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি, চুয়াডাঙ্গায় ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং যশোরে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
ঘন কুয়াশার কারণে এসব এলাকায় দূরপাল্লার যানবাহন দিনের বেলায়ও হেড লাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। ঘন কুয়াশার কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌ-রুট প্রায় ৭ ঘন্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার পরে ফেরি চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হলেও নদীর দুই পাশে আটকা পড়ে আছে প্রায় দু’শতাধিক যানবাহন।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও পুরো জানুয়ারি মাস জুড়েই শীতের প্রকোপ থাকবে। ফেব্র“য়ারি মাসে গিয়ে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। ওই মাসের শেষদিকে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। যে সব এলাকার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা উত্তর-পশ্চিমাংশে দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।


 


footer logo

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।