খুলনা | সোমবার | ২৩ জুলাই ২০১৮ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৫ |

ইলিশ রপ্তানির সুযোগে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে

১১ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০:০০

ইলিশ রপ্তানির সুযোগে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে


মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ শপথ নেয়ার পর ঘোষণা দিয়েছেন অবৈধ পাচার ঠেকাতে সরকার সীমিত মাত্রায় ইলিশ রপ্তানীর সুযোগ দেবে। গত দু’বছর ধরে বাজারে ইলিশের সরবারহ বেড়েছে। এর পেছনে প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখাসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ভূমিকা রয়েছে। ২০১২ সালের ১ আগস্ট ইলিশসহ সব ধরনের মাছ রপ্তানী নিষেদ্ধ হয়। জাতীয় মাছ ইলিশ রক্ষায় ইতিমধ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় গড়ে তোলা হয়েছে ইলিশের কয়েকটি অভয়াশ্রম। জাটকা নিধন বন্ধে জেলে পরিবারগুলোকে মৌসুমে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। যদি ইলিশ রপ্তানীর সুযোগ দেয়া হয়, তা হলে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যাতে স্থানীয় বাজারে ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে না যায়। অভ্যন্তরীন চাহিদা পূরণ সাপেক্ষে ইলিশ রপ্তানী করা যেতে পারে। এর জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন উৎপাদন যাতে আরও বাড়ানো যায়। বিশ্বের মোট ইলিশের ৬০ শতাংশ এ সবচেয়ে ভাল মানের এবং সুস্বাদু প্রজাতির ইলিশ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশেই। ইলিশ একটি উচ্চ উৎপাদনশীল প্রজাতির মাছ। বড় আকারের একটি ইলিশ ২০ লাখের অধিক ডিম ছাড়তে পারে। এ জন্য নদ-নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি, তাদের চলাচলের বাঁধা দূরীকরণ, পানি প্রবাহ বৃদ্ধি এবং অভয়াশ্রমের যথাযথ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, পানির দূষণ রোধ ইত্যাদি বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া দরকার। পাচার রোধে কঠোর দৃষ্টি দিতে হবে। ইলিশ রপ্তানি করে প্রচুর পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে এতে সন্দেহ নেই। তবে প্রজনন মৌসুমের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। অভয়াশ্রমের পরিবেশ যাতে বিঘœ না হয় তার ও সজাগ দৃষ্টি থাকা প্রয়োজন।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ