খুলনা | মঙ্গলবার | ২৩ জানুয়ারী ২০১৮ | ১০ মাঘ ১৪২৪ |

শীতার্তদের পাশে দাঁড়ান

০৯ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০:০০

শীতার্তদের পাশে দাঁড়ান


‘বোমা সাইক্লোন’ নামে অভিহিত তুষার ঝড়ের তান্ডবে স্থবির হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলের আটটি রাজ্য। প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে বিমান ও সড়ক যোগাযোগ। সরকারি-বেসরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির চিত্রও ভিন্ন নহে। কোথাও কোথাও জারি করা হয়েছে জরুরী অবস্থাও। গত বৃহস্পতিবার হতে শুরু হওয়া এই তীব্র তুষার ঝড় ও শৈত্য প্রবাহে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে পুরু তুষার স্তরের নিচে চাপা পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে যাওয়া যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হওয়ার পরই মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্য এবং বিভিন্ন সিটি প্রশাসনের পক্ষ হতে গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের গত শুক্রবার রাতের বুলেটিনেও এই মর্মে  সতর্কবার্তা প্রচার করা হয় যে, রবিবারেও ভার্জিনিয়া, ডেলাওয়্যার, পেনসিলভেনিয়া, নিউ জার্সি, নিউইয়র্ক, কানেকটিকাট, ম্যাসেচুসেটস, রোড আইল্যান্ড এবং নিউ হ্যামশায়ার রাজ্যের অধিকাংশ এলাকাতেই তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ২০ ডিগ্রি হইতে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসবে। সেই সঙ্গে সোমবারও নিউইয়র্ক সিটি এবং ওয়াশিংটন ডিসিসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় তুষারপাত অব্যাহত থাকার আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়েছে। এককথায়, একদিকে তীব্রগতির দীর্ঘস্থায়ী তুষার ঝড়, অন্যদিকে জলোচ্ছ্বাস মিলিয়া অভাবনীয় এক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে দেশটির বিপুলসংখ্যক জনসাধারণকে। যুক্তরাষ্ট্রে গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে এই সময়ে। লক্ষণীয় যে, যুক্তরাষ্ট্র যখন তুষারঝড়ে জবুথবু, অস্ট্রেলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ নগরী সিডনি তখন দগ্ধ হচ্ছে নজিরবিহীন তাপদাহে। গত রবিবার বিকেলে সেখানে ৪৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যা গত প্রায় ৮০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে পৃথিবীর আবহাওয়াগত এই বৈপরিত্য এবং অস্থিরতাকে একেবারে অপ্রত্যাশিত কিংবা আকস্মিক বলা যাবে না। গত কয়েক দশকের নিরিখে বিচার করলে তার আচরণে কিছুটা অস্বাভাবিকতা হয়ত নজরে পড়তে পারে। এর প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও আমাদের এ ভূখন্ডে। তেতুলিয়া, রাজশাহী, দর্শনা ও যশোরে তাপমাত্রা সর্বনিম্নে। উপকূলবর্তী জেলা বৃহত্তর খুলনার শরণখোলা, রামপাল, মংলা, কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ, আশাশুনী, শ্যামনগর উপজেলায় আইলা বিধ্বস্ত এলাকায় অসহায় মানুষদের কাছে শৈত্য প্রবাহ আর এক দুর্যোগ মনে হচ্ছে। এসব অঞ্চলে সন্ধ্যার পর নেমে আসে শীত নামক এক যন্ত্রণা। শীতার্তদের কাছে দাঁড়ানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাকে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজসেবায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে জনপ্রতিনিধিদের শীতার্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


ভারত সরকারের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ

ভারত সরকারের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ

২২ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০





আশার আলো ভোলার গ্যাস ফিল্ড

আশার আলো ভোলার গ্যাস ফিল্ড

১৭ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:০৩

সমঝোতা প্রয়োজন

সমঝোতা প্রয়োজন

১৬ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:০৭

মানিক সাহার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

মানিক সাহার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

১৫ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০


তাবলীগ ইসলামের দাওয়াত

তাবলীগ ইসলামের দাওয়াত

১৩ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০



ব্রেকিং নিউজ