খুলনা | সোমবার | ২৩ জুলাই ২০১৮ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৫ |

শীতার্তদের পাশে দাঁড়ান 

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:১০:০০

শীতার্তদের পাশে দাঁড়ান 


কুয়াশার বেড়া-জালে ঘিরে আছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রকৃতি। সকালের সূর্যের আলোর দেখা মেলা ভার। শীতল হাওয়াও বেড়েছে। আর ঠান্ডা হাওয়ার আমেজে ভর করছে শীত। এতে শীত বস্ত্রের দোকানে কেনাকাটার খরা কেটেছে। বিশেষ করে ফুটপথের দোকানগুলো এখন সরগরম। তবে হতদরীদ্র ও ছিন্নমুল মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ এখনও চোখে পড়েনি। ইতোমধ্যে ঠান্ডার কারণে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে শীতজনিত শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
ভর অগ্রাহায়নে এ বছর শীতের দেখা মেলেনি। তবে পৌষের শুরুতে একটু একটু করে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। গত ১ সপ্তাহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শীত জেকে বসেছে। হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় অসচেনতার কারণে হাসপাতালগুলোতে শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বয়োবৃদ্ধরাও শীতজনিত নানা রোগে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে স্বাভবিক লঘুচাপ। ফলে ডিসেম্বরের শেষভাগে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে আরও দুয়েকটি মৃদু এবং মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আর এ শৈত্য প্রবাহ কমপক্ষে তিন থেকে পাঁচদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এর প্রভাব সারা দেশের ন্যায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও পড়বে । এতে শীতের তীব্রতা এ অঞ্চলেও বাড়বে।
মৃদু শৈত্য প্রবাহ আর কুয়াশার মধ্যেই হটাৎ শীতে গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় বেড়েছে। বেড়েছে কেনাকাটা। বিশেষ করে নিম্নবিত্তের কেনাকাটার স্থল ফুটপথের দোকানগুলোতে এখন উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। তবে হতদরীদ্র ও ছিন্নমুল মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের কোন উদ্যোগ এখনও চোখে পড়েনি। আমাদের অভিমত এখনই সময় সরকারি-বেসরকারি বা ব্যক্তিগতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণে উদ্যোগ গ্রহণ করার। এতে উপকৃত হবে ছিন্নমুল মানুষ। যারা ফুটপথে বা রাস্তার পাশে ঝুঁপড়ি ঘর বেধে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটায়। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ