খুলনা | সোমবার | ১৬ জুলাই ২০১৮ | ১ শ্রাবণ ১৪২৫ |

বাগেরহাট মহাকুমার কচুয়া ও চিতলমারী থানার যুদ্ধাপরাধীরা

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:১৪:০০

বাগেরহাট মহাকুমার কচুয়া ও চিতলমারী থানার যুদ্ধাপরাধীরা


কচুয়া থানা :
মজিবুর রহমান, পিতা- মোসলেম আলী, জোবাই।
মাহতাব আলী খান কনস্টেবল ১৫৮২।
রাকাব আলী শিকদার, পিতা-জবেদ আলী।
রিজিয়া খাতুন, পিতা- লোকমান মিয়া।
সেকেন্দার আলী, পিতা- জিন্নাত আলী হাওলাদার।
কচুয়া থানার বন্দুকধারী রাজাকার ঃ-
মনিরুজ্জামান, (রাজাকার কমান্ডার), নুর মোহাম্মদ শিকদার, আবদুল আজিজ শেখ, সামচুল হক, সুলতান আলী ডাকুয়া, আফসার উদ্দিন শেখ, আঃ হামিদ শেখ, আবদুল হামেদ মোল্লা, আবদুল জলিল শেখ, ফজর আলী কাজী, জালাল উদ্দিন শেখ, আঃ রশিদ শেখ, আফজাল হোসেন হাং, উকিল উদ্দিন শেখ জিন্নাপাড়া (খুলনা), আবদুল আলী মোল্লা, আবদুল লতিফ গাজী, লুৎফর মাঝি, শহিদুল ইসলাম, আবেদ আলী শেখ, হাবিবুর রহমান, মকবুল হোসেন মল্লিক, মনসুর আলী মোল্লা, সোলোয়মান দরানী, শেখ আঃ রহমান, শেখ আদম আলী, মোজাম্মেল হক, আবদুল আজিজ দিদার, লাল মিয়া সরদার, শেখ আহমদ আলী, আইয়ুব আলী হালদার, আতিয়ার রহমান হালদার, হোসেন উদ্দিন শেখ, আঃ গফুর শেখ, আফতাব হোসেন শেখ, কাসেম আলী মোল্লা, সারোয়ার হোসেন হাং, মোশারফ হোসেন মোল্লা, শেখ ইয়াহিয়া, শেখ জবেদ আলী, মতিয়ার রহমান সরদার, আবদুল বারেক মৃধা, আনোয়ার হোসেন ফকির, আফজাল হোসেন শেখ, আজাহার আলী শেখ, ইসমাইল মোল্লা, মাহতাব উদ্দিন সরদার, মকবুল হোসেন মোল্লা, রুহুল আমিন সরদার, তৈয়ব আলী ফকির, মোতালেব হোসেন, ছেকেন্দার আলি, মাহতাব উদ্দিন শিকদার, তৈয়ব আলী শিকদার, শেখ মোসারেফ হোসেন, বজলুর রহমান, লিয়াকত আলী শেখ, মোতালেব সরদার, ছেকেন্দার আলি, মাহতাব উদ্দিন শিকদার, তৈয়ব আলী শিকদার, শেখ মোসারেফ হোসেন, বজলুর রহমান, লিয়াকত আলী শেখ, মোতালেব সরদার, আবদুস সাত্তার মৃধা, আবদুস সাত্তার বেপারী, শাহজাহান শেখ, আবদুল লতিফ তালুকদার, সিরাজুল ইসলাম।
(উৎস ঃ কচুয়া থানার রাজাকার বাহিনীর হাজিরা খাতা। এই হাজিরা খাতায় মোট ১৪১ জন রাজাকারের হাজিরা লিপিবদ্ধ আছে। এর মধ্য থেকে মাত্র ৬৩ জন রাজাকারের নাম এখানে তালিকাভূক্ত করা হলো। তালিকাভূক্ত সকলেই বন্দুকের গুলি খরচ করেছিলেন। অবশিষ্ট ৯৮ জন ছিলেন বন্দুকহীন রাজাকার। বন্দুকধারী রাজাকারদের অনেকে পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর জেলার অধিবাসী, অনেকে বাগেরহাট জেলার বাগেরহাট থানা ও মোরেলগঞ্জ থানার অধিবাসী বলে মনে হয়।)
এছাড়া যশোরদি গ্রামে মোকছেদ দিদার, ইনাম শেখ, আসমান দিদার, করিম দিদার, হাশেম আলী দিদার ও মোসলেম আলী খান, বাধাল গ্রামের কালাম মোল্লা রাজাকার হিসেবে কুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
চিতলমারী থানা :
আকবর আলী শেখ, পিতা-ইমাম উদ্দিন শেখ, হিজলা, রাজাকার।
আবদুল কাদের মোল্লা, পিতা- মোজাম মোল্লা, হিজলা, রাজাকার।
দবির উদ্দিন শেখ, পিতা-ফজল উদ্দিন, শিবপুর, রাজাকার।
এছাড়া এই থানার লাল মিয়া সরদার (আদিখালী), রব কাজী (কাঠিপাড়া), কামাল শেখ, (চরবড়বাড়িয়া), আনোয়ার হোসেন খান (বড়বাড়িয়া), আতিয়ার রহমান, আলতাব হোসেন (হিজলা চরপাড়া), আতোর আলী (হিজলা), রেজা কাজী (হিজলা), মৌলবী জাফর আলী (শ্যামপাড়া), শেখ মতলেব উদ্দীন (বড়বাড়িয়া), কটা মুন্সি (চরশৈলদাহ), তারু মিয়া (কুনিয়া), মুনছুর মিয়া (বড়বাড়িয়া) প্রমুখ ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কাজ করেছেন।
ফকিরহাট থানা ঃ-
মোঃ আবদুস সবুর খান, এমএনএ, পিতা-নাজমুল হক খান, আট্টাকা, পিস।
নোয়াব আলী ফকির, থানা শান্তি কমিটির আহবায়ক, পিতা-জোনাব আলী ফকির, পাগলা-শ্যামনগর, রাজাকার কমান্ডার।
মুনসুর আলী, পিতা- আকাম উদ্দিন, আট্টাকা, আছির উদ্দিন সরদার, পিতা- তাছির উদ্দিন সরদার, রফিকুজ্জামান চৌধুরী, পিতা- এ রশিদ চৌধুরী,
জালাল উদ্দিন শেখ, পিতা- ওহম উদ্দিন শেখ, শেখ আবুল হাশেম, পিতা- ফোহাম উদ্দিন শেখ, আবুল কালাম শেখ, পিতা- এনাজ উদ্দিন শেখ,  হারুন-অর- রশীদ ওরফে হারুন শিকারী, প্লাটুন কমান্ডার, পিতা-আমিন উদ্দিন শিকারী, আফতাব উদ্দিন শেখ, পিতা- শেখ করিম বক্স, দেলোয়ার হোসেন, পিতা- জহির উদ্দিন শেখ, হাবিবুর রহমান শেখ, পিতা- কবির উদ্দিন শেখ, মুনসুর আলী শেখ, পিতা- রাহেন উদ্দিন শেখ, ফটচালিয়া মোড়ল ওরফে ফতে আলী খান, প্লাটুন কমান্ডার, পিতা- আক্কাছ আলী মোড়ল, শাহজান মোল্লা, পিতা- রুস্তুম মোল্লা, মকবুল আলী, পিতা- আবদুল জব্বার, ইলিয়াস সরদার, পিতা- আকমন সরদার, আবদুস সালাম, পিতা- সফিকুর রহমান, ইয়াকুব আলী, পিতা- মওলা বক্স মোড়ল, মাজরুল হক, পিতা- নুরুল হক, শেখ সোলেমান, থানা কমান্ডার, পিতা- শেখ রহমতউল্লাহ, বোসরত আলী সরদার, পিতা- আবদুস সামাদ, ইসহাক শেখ, পিতা- আনিজ উদ্দিন শেখ, মুনসুর শেখ, পিতা- জহর শেখ, মোকতার আলী শেখ, পিতা- আকাম উদ্দিন শেখ, ফজলু আকন্দ, পিতা- আজহার আলী আকন্দ, আবদুল খালেক, পিতা- মোজাহার হাওলাদার, মোঃ তাছলিম, শ্রমিক পিতা-হাজি ইসহাক, সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, সি ৯০৭, পিআরএফ, পিতা- সৈয়দ মোশাররফ হোসেন, উকিল উদ্দিন, পিতা-সাদেম আলী, ইবাদ আলী ফকির, পিতা- ইনসান উদ্দিন ফকির, ইসমাইল শেখ, আনসার মোড়, কেরামত উল্লাহ ওরফে কেয়াম ফরাজী, পিতা- রহিম বক্স ফরাজী।
এছাড়া ভাবনা গ্রামের শেখ ইছাক (রাজাকার), জারিয়া গ্রামের আব্দুল ওহাব মোড়ল (রাজাকার), জারিয়া গ্রামের আবদুর রহিম ফরাজী (রাজাকার), পিলজঙ্গ গ্রামের মাহফুজ শেখ (রাজাকার), শ্যামবাগাত গ্রামের ইলিয়াস শেখ (রাজাকার), শ্যামবাগাত গ্রামের ওফাজ উদ্দিন চেয়ারম্যান (দালাল), শ্যামবাগাত গ্রামের সাহেব মল্লিক (রাজাকার), চাকুলী গ্রামের মতলেব শেখ (রাজাকার), জারিয়া মাইট কোমড়া গ্রামের বক্স এলাহী শেখ (লুটকারী) প্রমুখ চিলেন পাকবাহিনীর সহযোগী শক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের লোক।
(তথ্য সূত্র : অধ্যাপক স্বরচিস সরকার রচিত একাত্তরের বাগেরহাট)

 

 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

বদলে যাবে মংলা বন্দর

বদলে যাবে মংলা বন্দর

০৩ জুলাই, ২০১৮ ০২:০১













ব্রেকিং নিউজ










আটরা গিলাতলায়  গাঁজাসহ আটক ১

আটরা গিলাতলায়  গাঁজাসহ আটক ১

১৬ জুলাই, ২০১৮ ০১:২৫