খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৯ এপ্রিল ২০১৮ | ৬ বৈশাখ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

খুবিতে ‘পিয়ার রিভিউ প্রসেস এন্ড পিএসএ ইমপ্র“ভমেন্ট প্লান’ কর্মশালা

একাডেমিক মানোন্নয়নের পারিকল্পনা গ্রহণে বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিতে হবে : উপাচার্য

খুবি প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০১:১১:০০

একাডেমিক মানোন্নয়নের পারিকল্পনা গ্রহণে বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিতে হবে : উপাচার্য

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি ডিসিপ্লিনের লেকচার থিয়েটারে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে ‘পিয়ার রিভিউ প্রসেস এন্ড পিএসএ ইমপ্র“ভমেন্ট প্লান’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে সকাল সাড়ে ৯টায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন। তিনি উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন প্রকল্পের বর্তমান পর্যায়ে এ কর্মশালা আয়োজনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নের বিষয় সম্পর্কে এখানকার শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারির মধ্যে এ ধারণা অনেকটা পরিষ্কার। এটি সম্ভব হয়েছে আইকিউএসি ও সিইটিএল’র যুগপৎ প্রচেষ্টার কারণে। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার গুণগতমান অর্জনের প্রচেষ্টায় পর্যায়ক্রমিক ধাপে ইমপ্র“ভমেন্ট প্লানের প্রসঙ্গ এসেছে। এই ইমপ্র“ভমেন্ট প্লান প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমাদেরকে বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করতে হবে। অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার যে অভাব রয়েছে পর্যায়ক্রমে তার সমাধান হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ২০২১-২২ সালে সমাপ্ত হলে তখন অবকাঠামোগত সংকট থাকবে না। তবে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়াও একাডেমিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাস্তবতার গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা যদি মাইন্ড সেট করতে পারি তবে বড় অংকের অর্থের প্রয়োজন ছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসির কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেলের প্রধান প্রফেসর ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী উচ্চশিক্ষার গুণগতমান অর্জনের পর্যায়ক্রমিক ধারায় দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অবস্থা তুলে ধরে বলেন, হেকেপের প্রথম প্রকল্পের কাজ শেষে দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি প্রকল্প প্রণয়নের বিষয় চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে, এটি ২০১৯ সাল থেকে শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, পিয়ার রিভিউ পদ্ধতি এবং পিএসএর ইমপ্র“ভমেন্ট প্লান বিষয়ে এর আগে অতোটা ধারণা বা সুস্পষ্ট গাইড লাইন ছিলো না। এটা এখন তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এটা অনুসরণ করতে পারবে। তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৬৯ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮১০টি এসএ কিমিটর বিরাট কর্মযজ্ঞ চলছে। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার গুণগতমান অর্জনের ক্ষেত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রসর অবস্থানে রয়েছে এবং সিইটিএল ও আইকিউএসির যুগপৎ কাজ করার ক্ষেত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষে রয়েছে যা অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. আহমেদ আহসানুজ্জামান। তিনি এই কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। পরে টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্বে ইউজিসির কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেলের প্রধান প্রফেসর ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী ও কোয়ালিটি স্পেশালিস্ট ড. আহমেদ তাজমিন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর পাওয়ারপয়েন্টে প্রেজেন্টেশন দেন। পরে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সামগ্রিক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. কামরুল হাসান তালুকদার। কর্মশালায় বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪টি ডিসিপ্লিনের সেলফ এসেসমেন্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ অংশ নেন।  


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ