খুলনা | সোমবার | ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ | ২৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪ |

Shomoyer Khobor

সব থেকে বেশি বিপাকে স্কুল পড়ুয়া শির্ক্ষাথীরা

অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়িতে শহর জুড়ে তীব্র যানজটে নাকাল নগরবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০২:০০:০০

অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়িতে শহর জুড়ে তীব্র যানজটে নাকাল নগরবাসী

প্রায় বছর জুড়েই খুলনা মহানগরীতে চলছে অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি। এতে তীব্র যানজটে নাকাল নগরবাসী। এরই মাঝে বেশির ভাগ মোড়ে নেই ট্রাফিক পুলিশ। কোথাও কোথাও থাকলেও যানজটের তীব্রতায় নিষ্ক্রিয় দেখা গেছে তাদের। এতে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্কুল কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছে কর্মজীবীরাও।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, ওয়াসার পানির লাইনে পাইপ বসানোর কাজে নগরীর প্রায় সব ধরনের সড়কেই চলছে খোঁড়াখুঁড়ি। একই সাথে সংযোগ সড়ক ও মেইন সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণে। নগরীর নতুন রাস্তা মোড়ে ৪ ফিট সড়ক নতুন করে কেটে ফেলা হয়েছে। একটি বাস যাওয়ার মত যায়গা রাখা হলেও তা কোন কাজে আসছে না। এতে প্রচন্ড যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে নতুন রাস্তা মোড় এলাকায়। অনেক সড়কের  সংযোগস্থল হওয়ায় গতকাল বুধবার সারাদিনই এখানে যানজট লেগে ছিল। বয়রা কলেজ মোড়ে রাস্তা খুঁড়ে করা হচ্ছে একই কাজ। ব্যস্ততম এই রাস্তার দুই তৃতীয়াংশই আটকানো আছে খনন কাজে ব্যবহৃত গাড়ি দিয়ে। বয়রা জলিল সড়কের সকল যানবাহন ও যশোর রোডের যানবাহন মিলে গতকাল সারাদিনই তীব্র যানজট লেগেছিল এখানে। বিশেষ করে স্কুলগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা চলায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুর্ভোগ ছিল চরমে।
নগরীর নুরনগর এলাকায় একই ধরনের খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছে গতকাল বিকেলে। তবে সব থেকে বেশি ভোগান্তি ছিল নগরীর জোড়াগেট থেকে শিববাড়ি মোড় পর্যন্ত। ২ লেন রাস্তার একপাশ আটকে খোঁড়াখুঁড়ি করায় অপর পাশে সব যানবাহন চলায় গতকাল সারাদিনই তীব্র যানজট লেগে ছিল। জোড়াগেট থেকে শিববাড়ী মোড় পর্যন্ত যেতেই সময় লেগেছে আধাঘন্টার বেশি। শিববাড়ী থেকে ডাকবাংলো মোড় পর্যন্ত ছিল অতিরিক্ত যানবাহনে সৃষ্ট যানজট। সবমিলে ঘর থেকে বেরিয়ে সময়মত গন্তব্যে পৌঁছানো নগরবাসীর জন্য কষ্টদায়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে তীব্র যানজট থাকা সত্ত্বেও নগরীর এসব এলাকার কিছু কিছু স্থানে ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা দেখা যায়নি। জোড়াগেট মোড় ও শিববাড়ী মোড়ে পুলিশ থাকলেও ছিল নিষ্ক্রিয়। নগরীর রাস্তায় চলাচলকারী মাহেন্দ্রা ও ইজিবাইক চালকরাও পড়েছে বিপাকে। মাহেন্দ্রা চালক মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন শহরে যানজটে শিরোমনি থেকে ডাকবাংল পর্যন্ত আগে সর্বোচ্চ ২৫ থেকে ৩০ মিনিটে আসলেও এখন ১ ঘন্টায়ও সম্ভব হচ্ছে না শুধুমাত্র যানজটের কারণে। তিনি বলেন, রাস্তায় পুলিশ থাকলেও গাড়ি সরানোর জন্য তেমন কোন ভূমিকা নিতে দেখা যায় না। মহাজনের টাকা, তেল ও রাস্তার টাকা দিয়ে বাসায় কিছ্ইু নিয়ে যেতে পারি না।

 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

১১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০১:১৬











ব্রেকিং নিউজ



বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

১১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০১:১৬