খুলনা | শুক্রবার | ২৪ নভেম্বর ২০১৭ | ১০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪ |

Shomoyer Khobor

রূপসার অচিনতলা মদিনাতুল উলুম কওমী মাদ্রাসা

নিখোঁজের ১৯ দিন পরও সন্ধান মেলেনি হেফজ বিভাগের শিশু ছাত্র নয়নের

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ০১:২৭:০০

শিক্ষকের মারপিটের পর নিখোঁজ খুলনার রূপসা উপজেলার অচিনতলা মদিনাতুল উলুম কওমী মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিশু ছাত্র ইব্রাহিম হোসেন নয়নের (৯) ১৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি। গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মাদ্রাসা থেকে সে নিখোঁজ হয়। এ ব্যাপারে তার পিতা শেখ তৈয়ব আলী সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি ও র‌্যাব-৬’র কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শিশুটির পরিবার।   
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রূপসা উপজেলার তালিমপুর এলাকার বাসিন্দা শেখ তৈয়ব আলীর কনিষ্ঠ পুত্র নয়ন রূপসার অচিনতলা মদিনাতুল উলুম কওমী মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়ালেখা করে আসছিল। সে রাতে মাদ্রাসায় থাকতো। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে নয়নের পড়া মুখস্ত না হওয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষক সাইফুল ইসলাম তার দু’হাত গামছা দিয়ে বেঁধে বেত্রাঘাত করে। ঘটনার দিন দুপুরে নয়ন বাড়িতে গেলে তার মাতা শামছুন্নাহার বেগম তাকে গোসল করাতে গিয়ে বেত্রাঘাতের চিহ্ন তার দৃষ্টিগোচর হয়। বিষয়টি তার পিতাকে জানান। দুপুরে ভাত খাওয়ার পর নয়নের মা তাকে বাড়ি থাকার কথা বললেও শিক্ষক সাইফুল ইসলামের ভয়ে সে মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর দীর্ঘদিন অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান পায়নি তার পরিবার। ঘটনার পর থেকে মাদ্রাসার দু’জন শিক্ষক গা দিয়েছে। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরী (যার নং-১০৫, তারিখ-৩/১০/১৭ ইং) এবং গত ৮ অক্টোবর র‌্যাব-৬’র দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তার পিতা।
মাদ্রাসা শিক্ষক সাইফুল ইসলামের ভাষ্য মতে, মাদ্রাসা ছাত্র নয়নের পড়া মুখস্ত না হওয়ায় তাকে বেত্রাঘাত করা হয়। পরবর্তীতে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে সে মাদ্রাসা থেকে চলে যায়। এরপর নয়ন আর মাদ্রাসায় ফিরে আসেনি।
নয়নের পিতা শেখ তৈয়ব আলী বলেন, ঘটনার দিন রাত ৮টার দিকে তার বড় ছেলে মাদ্রাসায় নয়নের জন্য রাতের খাবার দিতে যায়। কিন্তু নয়নকে না পেয়ে সে তার পিতাকে জানান। খবর পেয়ে তিনি ওই রাতে মাদ্রাসায় ঢোকার চেষ্টা করলে মাদ্রাসার সামনে থাকা মুদি ব্যবসায়ী আমজাদ ও রিয়াজুল তাকে মাদ্রাসার ভেতর ঢুকতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ঘটনার পরের দিন মাদ্রাসার শিক্ষকদের কাছে জানতে চাইলে শিক্ষকরা তার সামনে আসেনি, এমনকি তাকে কোনো তথ্যও দেওয়া হয়নি। ঘটনার পর থেকে মাদ্রাসার দু’জন শিক্ষক ইয়াকুব ও মিকাইল গা ঢাকা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


গুম নতুন কিছু নয়

গুম নতুন কিছু নয়

২৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০১:২২


সমঝোতা স্মারক সই

সমঝোতা স্মারক সই

২৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০১:২০





বিদ্যুতের দাম ফের বাড়ল

বিদ্যুতের দাম ফের বাড়ল

২৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০১:১৩


সারচার্জ আরোপ ও আদায় চলবে

সারচার্জ আরোপ ও আদায় চলবে

২৩ নভেম্বর, ২০১৭ ১৪:১৭



ব্রেকিং নিউজ