খুলনা | সোমবার | ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৪ |

Shomoyer Khobor

তেরখাদায় দেশী জাতের গরু পালনে স্বচ্ছল খামারীরা কোরবানীসহ মিটবে এলাকাবাসীর চাহিদা

রাসেল আহমেদ, তেরখাদা | প্রকাশিত ০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:১০:০০

তেরখাদায় দেশী জাতের গরু পালনে স্বচ্ছল খামারীরা কোরবানীসহ মিটবে এলাকাবাসীর চাহিদা

উপজেলাতে দেশী জাতের গরু পালন করে অনেক পরিবারের স্বচ্ছলতা এসেছে। অপরদিকে উপজেলায় আমিষের চাহিদা পুরণে তারা অগ্রণী ভুমিকা রাখছে। আসন্ন ঈদুল আযহায় তেরখাদার বিভিন্ন বসতবাড়িতে পালন করা গরু কোরবানী উপলক্ষে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইখড়ি গরুর হাটে এনে বিক্রি করছে খামারীরা।
উপজেলা সদরের পূর্ব কাটেংগা এলাকার খামারী টুকু মোল্যা, রসুল মোল্যা, সদরের পশ্চিমপাড়া এলাকার ইকরাম মোল্যা, ইখড়ি এলাকার খামারী নাদিম মোল্যাসহ বেশ কয়েকজন গরু পালনকারী খামারীর সাথে কথা বলে জানাযায়, তারা সকলে প্রতি বছর গরু পালন করে আসছে। এতে তারা আর্থিকভাবে লাভবানও হচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে বাড়িতে পশু পালন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। দেশী জাতের পালিত উন্নত মানের এসব পশু এক দিকে যেমন দরিদ্র বিমোচনসহ বেকারত্ব ঘোচাচ্ছে তেমনি আমিষের চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভুমিকাও রাখছে। উপজেলার অনেক বেকার যুবক ও দরিদ্ররা গরু ছাগল পালন করে এক দিকে যেমন প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, অন্যদিকে তাদের সংসারে স্বচ্ছলতা এসেছে। সংসারের অভাব ঘোচাতে দেশী জাতের গরু স্থানীয় ভাবে পালন করে চলছে খামারীরা। এ উপজেলাতে দেশী জাতের গরু পালন করতে প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এ দাবি অনেক খামারীর।
খামারী টুকু মোল্লা বলেন, তিনি প্রত্যেক কোরবানীর ঈদে ৫/৬ লক্ষ টাকার গরু বিক্রি করেন। অপর খামারী ইকরাম মোল্লা বলেন, তিনি গত শুক্রবার ইখড়ির গরুর হাটে একটি ষাড় বিক্রি করেছেন ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকায়। এছাড়া তার আরো তিনটি গরু আছে। যা প্রত্যেকটি গরু প্রায় ১ লক্ষ ১০ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হবে বলে আশা করেন।
খামারী অখিল বালা বলেন, তিনি ইখড়ির গরুর হাটে তার পালিত একটি ষাড় ১ লক্ষ ২২ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। উপজেলার বিভিন্ন বসত বাড়ির লোকেরা শখের বসে কেউ বেকারত্বের অভিশাপ ঘোচাতে, আবার কেউ সংসারে স্বচ্চলতা আনতে দেশী জাতের গরু পালন করে নিজ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইখড়ির গরুর হাটে বিক্রি করে থাকেন।
গরু পালন করে উপজেলার এ চাহিদাসহ অন্যান্য এলাকার চাহিদার দৃষ্টান্ত হিসাবে অনুসরণ করে চলছেন তেরখাদার গরু খামারীরা। এ অঞ্চলের আগ্রহী খামারীরা দেশী জাতের গরু পালন করে তেরখাদা উপজেলাসহ দেশের অন্য অঞ্চলের আমিষ ও অন্যান্য চাহিদা মেটাতে ব্যাপক হারে দেশী জাতের গরু পালন হচ্ছে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।
উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মান্নান কবির  বলেন, এ উপজেলাতে ব্যক্তি উদ্যোগে যে পরিমান গরু পালন করা হয়েছে তাতে কোরবানীর চাহিদাসহ অন্যান্য সময় পশুর চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

 

 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

যেখানে ৭১ কথা বলে

যেখানে ৭১ কথা বলে

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:২৬

একাত্তরের খুলনা বিজয়

একাত্তরের খুলনা বিজয়

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:২২



পারুলিয়ায় গণহত্যা- ১৯৭১

পারুলিয়ায় গণহত্যা- ১৯৭১

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:২১



যুদ্ধকালীন স্মৃতি

যুদ্ধকালীন স্মৃতি

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:১৭

ছবি আঁকায় পরাণ জুড়ায়

ছবি আঁকায় পরাণ জুড়ায়

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:১৫

বিজয়ের অর্জন প্রশ্ন পাশাপাশি

বিজয়ের অর্জন প্রশ্ন পাশাপাশি

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:১৪

শহীদ পরিবার থেকে বলছি

শহীদ পরিবার থেকে বলছি

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:১৫



ব্রেকিং নিউজ