খুলনা | সোমবার | ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৪ |

মংলা বন্দরের নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন

১৩ অগাস্ট, ২০১৭ ০০:২০:০০

মংলা বন্দরের নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন


বিধি বহির্ভুতভাবে মংলা বন্দরের বিভিন্ন পদে ৫৬ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে একজন ড্রাইভারকে প্রথম শ্রেণীর সহকারী প্রকৌশলী (নৌ) পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। আর অনিয়ম করে এসব পদোন্নতি জায়েজ করতে বিধি সংশোধনের প্রস্তাব করেছে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভা। ওই সংশোধনী অনুমোদনের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়েও পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটির এক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
২০১৪ সালে বন্দরের বিভিন্ন পদে ৫৬ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়। ওই সময়ে বন্দরের ৩য় শ্রেণীর কর্মচারীকে সহকারী প্রকৌশলী (নৌ) পদে পদোন্নতি দেয়ায় তা চ্যালেঞ্জ করে ইন্সটিটিউট অব ডিপ্লে¬ামা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার (আইডিএমইবি) সদস্যরা। পরে বন্দরের অভ্যন্তরিন দু’টি তদন্ত কমিটি ঐ নিয়োগ অবৈধ উল্লেখ করে। ওই ঘটনায় সোহেল রানাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। নৌমন্ত্রীর সাক্ষর জাল করে আবারও চাকরিতে ফেরেন সোহেল রানা। তবে পদোন্নতি বাতিল করা হয়। এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে এক জন নয় এ সময় তিন তিন জনকে অবৈধভাবে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। আর এসব পদোন্নতি বৈধ করতেই নিয়োগবিধি সংশোধনের প্রস্তাব করেছে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভা।
তদন্ত প্রতিবেদনে মংলা বন্দরের বোর্ড সভার এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। এতে বলা হয়েছে, বন্দরের চাকরি বিধি ১৯৯১ অনুযায়ী সহকারী প্রকৌশলী নৌ পদে সোহেল রানা, আবুল কালাম আজাদ ও মজিবুর রহমানের পদোন্নতি নিয়োগ বিধিমালার সম্পুর্ণ পরিপন্থি। ইতোমধ্যে সোহেল রানার পদোন্নতি বাতিল করা হয়েছে। নিয়োগ বিধি সংশোধনের প্রস্তাবের বিষয়ে তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, সোহেল রানাকে পুনঃনিয়োগের বোর্ড সভায় তার পদোন্নতি বৈধ করার জন্য নিয়োগ বিধি পরিবর্তন আনা হয়েছে যা বিধিবহিভূত। কারণ নিয়োগ বিধি সংশোধনের পর কার্যকর কখনো আগে নিয়োগ পাওয়াদের ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। সংশোধনী প্রস্তাবে পদোন্নতী দেয়া আইনের পরিপন্থি। মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টে মংলা বন্দরের ৫৬ জনকে পদোন্নতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে বলা হয়েছে, তিন জনের পদোন্নতি বিধিমালা পরিপন্থি ও অবৈধ হওয়ায় পদোন্নতী প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ঐ বিধিবহিভূত কাজের জবাব দিহি করবেন। তাদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। আমাদের অভিমত আইনের ফাক ফোকর দিয়ে যেন এসব অবৈধ নিয়োগ প্রাপ্তরা যেন বেরিয়ে না যায়। পাশাপাশি যারা এসব অবৈধ নিয়োগ প্রদানের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত পূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী।   

 

 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

নিয়ন্ত্রণহীন বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা

নিয়ন্ত্রণহীন বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা

১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:০০

প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ভার কার?

প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ভার কার?

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০


চিকিৎসকের শূন্যপদ পূরণ জরুরী

চিকিৎসকের শূন্যপদ পূরণ জরুরী

১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:০৬

সহজলভ্য ও মানসম্পন্ন করতে হবে

সহজলভ্য ও মানসম্পন্ন করতে হবে

১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০

রূপা ধর্ষণের শাস্তি দ্রুত কার্যকর হোক

রূপা ধর্ষণের শাস্তি দ্রুত কার্যকর হোক

১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০

গাছগুলো সৌন্দর্য বর্ধন করছে

গাছগুলো সৌন্দর্য বর্ধন করছে

১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০



ঋণ কেলেঙ্কারী : জাতি অস্বস্বিতে

ঋণ কেলেঙ্কারী : জাতি অস্বস্বিতে

০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০

অনাকাঙ্খিত ঘটনা জাতির প্রত্যাশা নয়

অনাকাঙ্খিত ঘটনা জাতির প্রত্যাশা নয়

০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:০০

দুবলার চরে শুটকি পল্লীতে নিরব কান্না

দুবলার চরে শুটকি পল্লীতে নিরব কান্না

০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:১০


ব্রেকিং নিউজ