খুলনা | শনিবার | ২৬ মে ২০১৮ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

সরাসরি ন্যায্য মূল্যে বেচা-কেনা হবে পণ্য : প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে কৃষকদের

ডুমুরিয়ায় ১০ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘ভিলেজ সুপার মার্কেট’

এস এম আমিনুল ইসলাম | প্রকাশিত ০৯ মে, ২০১৭ ০২:০৫:০০

ডুমুরিয়ার টিপনা গ্রামে ২ একর ১০ শতক জমির উপর নির্মিত হচ্ছে ‘ভিলেজ সুপার মার্কেট’। নেদারল্যান্ড অ্যাম্বাসি, ওয়ার্ড ব্যাংক ও এডিবির অর্থে প্রায় ১০ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ঠিকমতো কাজ শেষ হলে আগামী বছরের গোড়ার দিকে মার্কেটটি চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ন্যায্য মূল্যে তৃণমূল কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি কৃষি পণ্য ক্রয় করে বিভাগীয় শহরের আগোড়া সুপার শপে ও বিদেশে রফতানির উদ্দেশ্যে মার্কেটটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া এখানে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা থাকবে।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে খুলনা জেলাধীন ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা গ্রামের শেখ বাড়ির সামনে ভিলেজ সুপার নামের এ মার্কেটটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয় ইন্টারন্যাশনাল এনজিও ‘সলিডাড়িডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া’। উদ্যোগটি বাস্তবায়নে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ১০ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে মার্কেটির আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়। যার নির্মাণ কাজ বর্তমান চলমান অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় ঠিকমতো কাজ চললে আগামী ২০১৮ সালের গোড়ার দিকে মার্কেটটি চালু করা সম্ভব হবে।
জানা গেছে, মার্কেটি ২ একর ১০ শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে ডিপো, ১০ হাজার লিটার উৎপাদন ক্ষমতার চিলার আইচ ফ্যাক্টরি, মসজিদ, ইলেকট্রিক্যাল ম্যাকানিক্যাল রুম, হর্টি ক্যালচার প্রসেসিং জোন, হর্টি প্যাকেজিং জোন, একোয়া প্রসেসিং জোন, একোয়া প্যাকেজিং জোন, একোয়া আড়ৎ, হর্টি আড়ৎ, ব্যাংক, চাইল্ড কেয়ার সেন্টার, ফার্মার ট্রেনিং সেন্টার, অফিস সিকিউরিটি রুম, টয়লেট জোন ও বাউন্ডারী ওয়াল ইত্যাদি।
সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষক রাজিউল বারী সৈকত ও শফিকুল ইসলাম জানান, মার্কেটটি চালু হলে কৃষকদের সরাসরি পণ্য বিক্রির অবাধ সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে এ অঞ্চলের কৃষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে এবং জীবন-যাত্রার মান উন্নত হবে। এছাড়া অর্থনীতিতেও এর বড় ধরনের ভূমিকা থাকবে।
ভিলেজ সুপার মার্কেটের সাইট ইঞ্জিনিয়ার অনিরুদ্ধ কুমার সরকার সময়ের খবরকে বলেন, ইতোমধ্যে মার্কেটটির শতকরা ২৫ ভাগ শেষ হয়েছে। ২০১৮ সালের গোড়ার দিকে মার্কেটটি চালু করা সম্ভব হবে। আর মার্কেটটি চালু হলে খুলনা, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও যশোর এলাকার তৃণমূল কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে সরাসরি কৃষি পণ্য (ফল-মূল, শাক-সবজি, দুধ, মাছ ইত্যাদি) ক্রয় করে দেশের বিভাগী শহরগুলোর সুপার শপে বিক্রি করা হবে। বিদেশেও রফতানি করা হবে। এছাড়া আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদে কৃষকদের প্রশিক্ষণেও ব্যবস্থা থাকবে এ মার্কেটে।
তিনি আরও বলেন, কৃষকরা যাতে কোন ভাবেই প্রতারিত ও ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত না হয় সে বিষয় বিভিন্ন এনজিও এর প্রতিনিধি ও স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বরের সমন্বয়ে গঠিত ট্রাস্টি বোর্ড মনিটরিং করবেন। এছাড়া এ মার্কেটে মধ্যস্বত্ব ভোগীদের কোন স্থান নেই। ফলে কৃষকরাই লাভবান হবে।

 

বার পঠিত

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ




সেহরীতে বরকত রয়েছে

সেহরীতে বরকত রয়েছে

২৬ মে, ২০১৮ ০১:১৪

সেহরীতে বরকত রয়েছে

সেহরীতে বরকত রয়েছে

২৬ মে, ২০১৮ ০১:১৪