খুলনা | শুক্রবার | ২০ এপ্রিল ২০১৮ | ৭ বৈশাখ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

খুলনার বেসিক ব্যাংক ঋণ বিতরণে শীর্ষে : আদায়ে শূন্যের কোটায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ২০ এপ্রিল, ২০১৭ ০২:২০:০০

দক্ষিণাঞ্চলে বেসিক ব্যাংকের আট শাখায় কৃষি ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় শীর্ষে রয়েছে। অর্থ বছরের নয় মাসে ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোন সাফল্য নেই। এ ব্যাংকের আদায় শূন্যের কোটায়। ঋণ বিতরণ ও আদায়ের ক্ষেত্রে প্রাইম, ব্যাংক এশিয়া ও সিটি ব্যাংক পিছিয়ে আছে। কৃষি ব্যাংকের সাফল্যই বেশি।
 জেলা কৃষি ঋণ কমিটির গেল মাসের সভার আলোকে সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। খুলনা অঞ্চলে ৪২টি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে চলতি অর্থ বছরে ঋণ বিতরণ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার ৫০ শতাংশ। আদায় হয়েছে গড়ে ১শ’ শতাংশ। গেল অর্থ বছরের প্রথম নয় মাসে এ অঞ্চলের ব্যাংকগুলো লক্ষ্যমাত্রার ৫৬ শতাংশ ঋণ বিতরণ এবং ঋণ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৭০ শতাংশ অর্জিত হয়।
বেসিক ব্যাংকের খুলনা, কেডিএ এভিনিউ, যশোর, ঝিনাইদহ, ফকিরহাট, ঝিকরগাছা, কোটালিপাড়া, টুঙ্গিপাড়া, চিতলমারি শাখায় চলতি অর্থ বছরে ১৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। মার্চ পর্যন্ত ৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়। এ অঞ্চলের ব্যাংকগুলোর মধ্যে বিতরণের তালিকায় বেসিক ব্যাংশ শীর্ষে আছে। এ সময়ে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংকের আদায় শূনের কোটায়।
এ ব্যাংকের খুলনাস্থ ডিজিএম দেবাশীষ কর্মকার জানান, বিতরণের ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে। জুনের মধ্যে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে তিনি আশাবাদি। সিটি ব্যাংকের স্থানীয় কর্মকর্তা শেখ আল মামুন জানান, অর্থ বছরে ৮ কোটি ৩ লাখ টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৫ কোটি ৭ লাখ টাকা বিতরণ হয়েছে। ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের কর্মকর্তা শেখ আল মামুন জানান, ১৯ কোটি টাকা ঋণ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদায় হবে বলে তিনি আশাবাদী। আব্দুল কাদের ফারুকীর মালিকানাধীন মাশরুম ফাউন্ডেশনে খেলাপী ঋণ আদায়ের মামলায় ব্যাংকের পক্ষে রায় হয়েছে। তিনি পলাতক। জামিনদাররা টাকা পরিশোধে রাজি হয়েছে।
কৃষি ব্যাংক খুলনার মুখ্য আঞ্চলিক কর্মকর্তা ও কৃষি ঋণ কমিটির সদস্য সচিব মোঃ টিপু সুলতান জানান, ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পিছিয়ে আছে। তিনি বলেন, ঋণ আদায় ও বিতরণের ক্ষেত্রে  কৃষি ব্যাংকের সাফল্যই বেশি। এ অঞ্চলে কৃষি ব্যাংকের ২০টি শাখার মধ্যে ১৮টি থেকে চিংড়ি চাষিদের জন্য ঋণ দেওয়া হচ্ছে। ১৩ এপ্রিল হালখাতা উৎসবে ১০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৭ কোটি টাকা আদায় হয়।
উল্লেখ্য, কৃষি ঋণ বিতরণ কমিটির সভায় শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে অধিকতর ঋণ বিতরণ করে উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সভায় বলা হয়েছে, জেনারেল ও উপজেলা সার্টিফিকেট আদালতে মামলা নিষ্পত্তির হার সন্তোষজনক।

 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ




পুঁজিবাজারে  বড় ধস

পুঁজিবাজারে  বড় ধস

০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:০৯










ব্রেকিং নিউজ











অভিযোগ খারিজ 

অভিযোগ খারিজ 

২০ এপ্রিল, ২০১৮ ০১:৪০